আলিসান ফ্লাটে থেকে করিমউদ্দিনদের কষ্ট বোঝা যায় না

অনলাইন ডেস্ক

আলিসান ফ্লাটে থেকে করিমউদ্দিনদের কষ্ট বোঝা যায় না

দেশে জেঁকে বসেছে শীত। শীতে পুরো দেশ যেন যুবুথুবু অবস্থা। শৈত্য প্রবাহের নাকানি চুবানি খেয়ে মানুষের নাভিস্বাস অবস্থা। জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝিতে এরকম শীতের মহরা বসবে তা বোধগম্য ছিলো না সাধারণ মানুষের। রাজধানীবাসী তো পুরো জানুয়ারি মাস লেপ কম্বল না গাঁয়ে দিয়েই ঘুমিয়েছে। কিন্তু, মাঘের শীত বাঘের গাঁয়েও লাগে একথা ভুললে তো চলবে না। 

ঘন কুয়াশায় চারদিকে কিচ্ছু দেখা যাচ্ছে না। রাস্তা ঘাটে সুনশান নিরবতা। মানুষের আনাগোনা কম। দোকানগুলো বন্ধ। শীতে লেপ মুরি দিয়ে ঘুমাচ্ছে নগরবাসী। নগর জীবনে যেন একটা ঝিমুনি ভাব এসেছে। 

শীতের পিঠা পুলি খেয়ে আবার শীত উদযাপন করছে সুখি মানুষেরা। খেজুর রসের নানা পদের পিঠা আর গুড়ের বাহারি সব খাবারে মানুষ শীতের আনন্দ খুঁজে নিয়েছে। কিন্তু, কেউ কি মনে রেখেছে খেটে খাওয়া করিমউদ্দিনদের কথা?


ঘন কুয়াশার কবলে পড়ে ফেরি চলাচল বন্ধ


প্রতিদিনের মতো করিমউদ্দিন ঘুম থেকে উঠে ফজরের নামাজ পড়েই বের হন কাজের খোঁজে। বাড্ডায় রাস্তার মোড়ে ঝুরি কোদাল নিয়ে কতগুলো অচেনা মুখ চাতক পাখির মত চেয়ে থাকে। কেউ একজন যদি ঢেকে নেয় কাজের জন্য তবেই জুটবে দুবেলা খাবার। নয়তো আধাপেট খেয়ে নাহয় নাখেয়ে দিনটা পার করতে হবে করিমউদ্দিনের। 

ঘরে অসুস্থ স্ত্রী, স্বামী হারা কন্যা, বিবাহযোগ্য আরেক কন্যা, একমাত্র নাতি সবাই বসে থাকে করিমউদ্দিনের আশায়। কখন ফিরবে চাল ঢাল নিয়ে। মাছ মাংস তো দূরের কথা কোনদিন ডিম আর আলুই যেন তাদের উৎসবের খাবার হয়ে ওঠে। 

সেই করিমউদ্দিনরা কেমন আছে এই মাঘের শীতে? আমাদের তো আরাম আয়েশের শেষ নেই। শীতের পিঠার উৎসব করি। বার-বি-কিউ পার্টি করি বাসার ছাদে কিংবা কোন নামিদামি রিসোর্টে। ঠান্ডা পানি সহ্য হয় না তাই গিজারে ঠাসা আমাদের বাথরুম গুলো। আলিসান ফ্লাটে হিটারে ঢাকা পড়ে শীত। 

তাই আমাদের পক্ষে কি করিমউদ্দিনদের জীবনের কষ্ট বোঝা সম্ভব? মোটেই না। এই ঘন কুয়াশায়, হাড় কাপানো শীতে করিমউদ্দিনরা কেন রাস্তার মোড়ে এসে চাতক পাখির মত চেয়ে থাকে? একটু কাজের আশায়।

এই বৃদ্ধ বয়সেও শীতকে উপেক্ষা করে যেকোন কাজ করতে রাজি। কারন, একটাই। পেটের টান। ”কাজ না করলে খামু কি? কে দেখবো আমাগো? শীত, বৃষ্টি, ঝড় তুফান যাই থাউক, আমাগো কামের ছুটি নাই। ছুটি হইলে না খাইয়া থাকন লাগবো”  বলছিলেন ষাটোর্ধো করিমউদ্দিন।

এ যেন মানিক বন্দোপাধ্যায়ের ’পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসের ওই প্রবাদটা, ‘ঈশ্বর থাকেন ওই ভদ্র পল্লীতে, এখানে তাহাকে খুঁজিয়া পাওয়া যাইবে না।’

news24bd.tv আয়শা

 

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ক্যাঙ্গারু ইঁদুর: জীবনেও পানি খায় না যে প্রাণী

হারুন আল নাসিফ

ক্যাঙ্গারু ইঁদুর: জীবনেও পানি খায় না যে প্রাণী

প্রাণ ধারণের জন্য প্রাণী মাত্রই পানির ওপর নির্ভরশীল। সব প্রাণীই কমবেশি পানি পান করে বেঁচে থাকে। তাই তো পানির অপর নাম জীবন। মরুভূমিতে পানি সহজলভ্য নয়। তাই মরুভূমির প্রাণীদের স্বল্প পানি খেয়ে বাঁচতে হয়। ওরা সেভাবেই অভিযোজিত হয়। বিশেষ করে উট পানি না খেয়ে দীর্ঘদিন বাঁচতে পারে। 

কিন্তু তাই বলে একবারে পানি না খেয়ে জীবন পার করে দেওয়া- এও কি সম্ভব? উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ। ক্যাঙ্গারু ইঁদুর নামের প্রাণীটি একদম পানি না খেয়ে সারা জীবন কাটিয়ে দেয়। এদের বাস আমেরিকা বা যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিম মরু অঞ্চলে। মরু অঞ্চলে থাকার কারণে ওরা সারা জীবন কখনো পানির দেখা পায় না! 

এদের পা ও লেজ অনেকটা ক্যাঙ্গারুর মতো লম্বা এবং ক্যাঙ্গারুর মতো লাফিয়ে চলে বলেই এদের এমন নাম। এদের ক্যাঙ্গারুর মতো একটা থলেও আছে, তবে সেটা পেটে নয় মুখের বাইরে। আর তারা এটিকে ব্যবহার করে অতিরিক্ত খাদ্য বহন করে বাসস্থানে বা গর্তে নিয়ে যাওয়ার কাজে। প্রশ্ন হলো পানি পান না করে কিভাবে এরা বেঁচে থাকে?


ওমান সাগরে তৈরি হবে ইরানের সর্ববৃহৎ সমুদ্রবন্দর

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে তাই ঘুম হয়নি শ্রাবন্তীর

ট্রাকচাপায় চবি আইন বিভাগের প্রথম ব্যাচের ছাত্রের মৃত্যু

শতকোটি টাকার মানহানির মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন শমী কায়সার


মরু অঞ্চলের প্রাণী ও উদ্ভিদের শরীরবৃত্তীয় গঠন প্রণালী এমনভাবে সৃষ্টি যে তাদের বেঁচে থাকার জন্য খুবই সামান্য পরিমাণ পানির দরকার হয়। ঠিক একই ব্যাপার ক্যাঙ্গারু ইঁদুরের বেলায়ও প্রযোজ্য। জীবন ধারণের জন্য যে অতি সামান্য পরিমাণ পানি এদের দরকার তা এরা পেয়ে যায় এদের খাবার মরু উদ্ভিদের বীজ ও তার মূল থেকে। এগুলোতে যে অল্প পরিমাণ পানি থাকে তাই ওদের বেঁচে থাকার জন্য যথেষ্ট। 

এদের দেহে কোনো স্বেদগ্রন্থি না থাকায় ঘামের আকারে কোনো পানিকণা এদের শরীর থেকে বের হতে পারে না। নিঃশ্বাস ফেলার সময় পানিকণাকে ঠাণ্ডা করে ঘনীভূত করার মাধ্যমে দেহের মধ্যে জমা রাখা এবং একই সঙ্গে প্রায় পানিবিহীন মলত্যাগ করার মতো চমৎকার ব্যবস্থাও এদের রয়েছে। তাই পানি পান না করেই ক্যাঙ্গারু ইঁদুর তার জীবন পার করে দিতে পারে।

এদের পাগুলো দেহের বাকি অংশের তুলনায় বেশ লম্বা। এরা এই পা দিয়ে ৯ ফুট পর্যন্ত লাফ দিতে পারে। যখন দুটি ক্যাঙ্গারু ইঁদুর মারামারি করে, তখন মনে হয় যেন লাঠি দিয়ে মারামারি করছে। সাধারণত ঝোপঝাড়ের কাছে মাটিতে গর্ত খুঁড়ে এরা বাস করে। নিশাচর জীবনযাপন তাদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। এরা সারাদিন গর্তে ঘুমিয়ে কাটায় আর রাতে খাবারের খোঁজে বের হয়।

ক্যাঙ্গারু ইঁদুর মূলত তৃণভোজী। তবে কিছু প্রজাতি গুবরেপোকাসহ কিছু ছোট ছোট পোকামাকড়ও খেয়ে থাকে। এরা খুব বেশীদিন বাঁচে না। বন্য পরিবেশে এদের গড় আয়ু মাত্র ২ থেকে ৫ বছর। জাত ভেদে এদের আকার সাধারণত ৩.৫ থেকে ৫.৫ ইঞ্চি হয়, আর গড় ওজন হয় ৩৮ গ্রাম থেকে ১৭০ গ্রাম পর্যন্ত। বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে এদের ২২টির মতো প্রজাতি রয়েছে।
হারুন আল নাসিফ, সাংবাদিক

news24bd.tv আয়শা

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গাছ মধ্যাকর্ষণের বিপরীতে কাজ করে

অনলাইন ডেস্ক

গাছ মধ্যাকর্ষণের বিপরীতে কাজ করে

পানির অপর নাম জীবন। পানি আমাদের জীবন রক্ষা করে। বিশেষ করে উদ্ভিদের অনেক পানির প্রয়োজন হয়। সে কারণে হামবুর্গের বোট্যানিকাল গার্ডেনে পানির বিশাল চাহিদা রয়েছে। সেখানে কর্মরত জীববিজ্ঞানীরা পানির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে অত্যন্ত ওয়াকিবহাল। যেমন কার্স্টেন শিরারেন্ড। তিনি বলেন, ‘‘পানি এমন এক সর্বব্যাপী পদার্থ, যা প্রাণী ও উদ্ভিদের মূল উপাদান। পানি ছাড়া আমরা কেউ বেশিদিন বাঁচতে পারি না।

মায়ের গর্ভে পানির মধ্যেই আমাদের জীবন শুরু হয়। জীববিদ্যার ক্ষেত্রে পানিই সর্বব্যাপী দ্রাবক ও এজেন্ট। শরীর ও কোষ সর্বত্রই পানি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।’’

শুনতে সাধারণ মনে হলেও পানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা হলো সেটি সর্বব্যাপী সলভেন্ট বা দ্রাবক। শুধু ময়লা নয়, পানি উদ্ভিদের অস্তিত্বের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিও দ্রবিভূত করে। যেমন অনেক গাছ বেশ কয়েক মিটার উপরে শাখাপ্রশাখা ও পাতায় মূল্যবান পানি পাঠাতে পারে। তার জন্য কোনো পাম্পের প্রয়োজন হয় না। পানির দুটি বৈশিষ্ট্য কাজে লাগিয়ে সেটা সম্ভব হয়।


নারীর সঙ্গে সময় কাটানো সেই তুষার এখনো কাশিমপুর কারাগারেই

জিয়ার খেতাব বাতিলের বিষয়ে যা বললেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

পরমাণু সমঝোতায় আমেরিকার অবস্থান জানতে জরুরী বৈঠকে বসার আহ্বান

মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফেরাতে নিরাপত্তা পরিষদকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান


ঘরের চার দেয়ালের মধ্যে থাকে নানা ধরনের ফার্নিচার, পর্দা, জুতো, বিভিন্ন উপাদানের তৈরি পোশাক ইত্যাদি। আরও থাকে কেমিকেলযুক্ত বিভিন্ন জিনিসপত্র। সেইসাথে বাইরের দূষিত বাতাসতো আছেই। সেসবের প্রভাব পড়ে শরীরে। দেখা দেয় অ্যালার্জি, মাথা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা স্নায়ুরোগের মতো নানান সমস্যা।

প্রথমত পানির একটা আঠালো গুণ রয়েছে। মসৃণ পৃষ্ঠে পানি আটকে থাকে। টেস্ট টিউবের দেয়াল বেয়ে সেটি কিছুটা উপরে উঠে যায়। মাঝের অংশের তুলনায় ধারের পানির স্তর কিছুটা উঁচু হয়। পানির দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হলো কোহেশন, অর্থাৎ পানির অণুগুলির মধ্যে সংযোগ।

সে কারণে দুই সেন্টের ছোট কয়েন বা পয়সার উপর প্রায় ৩০টি পানির বিন্দু অনায়াসে ধরে যায়। মাধ্যাকর্ষণ শক্তি জয় করে পানি তখন ধার উপচে কিছুটা বেরিয়ে থাকে।

তাই গাছ মধ্যাকর্ষণের বিপরীতে কাজ করতে পারে। গাঠ উপরের দিকে সহজেই পানি তুলতে পারে। কিন্তু আমরা যে কোন জিনিস উপরে তুলতে গেলে মধ্যাকর্ষণের বাধার সম্মুখীন হই। বাধাহীন ভাবে গাছই উপরে পানি তুলতে পারে।  

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মঙ্গলে চলছে নাসার রোভার, দেখা যাচ্ছে চাকার দাগ

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলে চলছে নাসার রোভার, দেখা যাচ্ছে চাকার দাগ

সফলভাবে অবতরণের পর মঙ্গলগ্রহে নাসার রোভার পারসিভারেন্স সফলভাবে টেস্ট ড্রাইভও সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস এজেন্সী নাসা। গতকাল শুক্রবার (৫ মার্চ, ২০২১) নাসা এই তথ্য জানায়।

ছয় চাকার এই রোভারটি গত বৃহস্পতিবার মঙ্গলের বুকে ৩৩ মিনিটে ৬.৫ মিটার (২১.৩ মিটার) ভ্রমণ করেছে। এটি চার মিটার সামনে যেয়ে বাম দিকে ১৫০ ডিগ্রি ঘুরে আবার ২.৫ মিটার পিছনে আসে। এসময় এর ক্যামেরায় এটি চলার ফলে এটির চাকার যে দাগ দৃশ্যমান হয় তা ফুটে ওঠে।

ক্যালিফোর্নিয়ার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরি থেকে নাসার ইঞ্জিনিয়ার আনাইস জারিফিয়ান বলেন, “এটা আমাদের জন্য যানটি চালানোর প্রথম সুযোগ ছিলো। এটি চমৎকারভাবে সফল হয়েছে এবং এটি এই মিশনের জন্য অনেক বড় একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।“

তিনি আরও বলেন, “এটি কেবলমাত্র শুরু ছিলো। আমরা এর পরে আরও বড় দূরত্ব পাড়ি দেবো।“

নাসার ইঞ্জিনিয়াররা মঙ্গলের বুকে চলার জন্য রোভারটির সাথে আরো দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তাছাড়া সব ঠিকঠাক থাকলে পরের দুইদিনও এটি চালানোর পরিকল্পনা আছে তাদের।


আরও পড়ুনঃ


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

লবণ প্রাসাদ ‘পামুক্কালে’

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


উল্লেখ্য, রোভারটি মঙ্গল গ্রহের দিনের সময়ে প্রতিদিন ২০০ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম। মঙ্গল গ্রহের প্রতিদিন পৃথিবীর দিনের চেয়ে বড়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লবণ প্রাসাদ ‘পামুক্কালে’

অনলাইন ডেস্ক

লবণ প্রাসাদ ‘পামুক্কালে’

তুরস্কে এমন এক প্রাসাদ আছে যাকে বলা হয় “তুলোর প্রাসাদ”। স্থানীয় ভাষায় এর নাম পামুক্কালে।

তুরস্কের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত দেনিজলি রাজ্যে আপনি দেখতে পাবেন এই অদ্ভুত সুন্দর প্রাসাদ। এখানে প্রকৃতি আমাদের জন্যে তার উৎকৃষ্ট একটি সৃষ্টি উপহার দিয়ে গিয়েছে যা দেখতে বছর বছর ভিড় জমতে থাকে।

এই প্রাসাদ আসলেই তুলো দিয়ে সৃষ্টি হয়নি। তবে এর রঙ তুলোর মতো ধবধবে সাদা হওয়ার পেছনে রয়েছে অদ্ভুত সুন্দর কারণ। আপনার মনে হবে বরফের রাজ্যে এসে গেছেন। তবে যেটাকে আপনি বরফ ভাবছেন সেটা হলো সামান্য লবণ।

এখানে রয়েছে খনিজ লবণের প্রাচুর্য। মেন্দেরেস নদী ও আজিয়ান সাগরের সংযোগস্থলে রয়েছে এই বিশাল প্রাসাদ। তবে আবহাওয়া কিন্তু ভারতের মতোই নাতিশীতোষ্ণ।

পাহাড়ি এই উপত্যকায় থাকা খনিজ লবণ আপনার জন্যে প্রাকৃতিক স্পায়ের কাজ করবে। খনিজ লবণগুলি হাওয়ায় জমাট বেঁধে চুনাপাথরের এই শক্ত প্রাসাদ গড়ে উঠেছে। আবার এর সঙ্গে রয়েছে গরম ঝর্ণার প্রাচুর্য।

গরম জলের এই ঝর্ণাগুলি জায়গায় জায়গায় আবার সৃষ্টি করেছে ছোট ছোট জলাশয়ের। সেই উষ্ণ জলে আপনি স্নানও করতে পারবেন আবার তাতে পা ডুবিয়ে তার আরামও উপভোগ করতে পারবেন।


আরও পড়ুনঃ


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

প্রথমবারের মতো দেশে পালিত হচ্ছে টাকা দিবস

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


এমন অদ্ভুত প্রাকৃতিক বৈচিত্রের জন্যে এখন এই জায়গাটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষিত হয়েছে। ফলে পর্যটন শিল্প বিশাল মাত্রা নিয়েছে এখানে। সেটাকে ভিত্তি করেই নতুন আর্থিক উন্নতির পথ খোলায় সরকারও এর প্রতি এখন যত্নশীল হয়েছে।

এর পাশে আবার গ্রিক-রোমানদের প্রাচীন শহর হিয়েরাপোলিস রয়েছে। তার নিদর্শন স্বরূপ সেখানকার রাস্তা, মন্দির, স্নানাগার সব সুন্দর করে রক্ষনাবেক্ষন করা হয়ে থাকে। এই গোটা শহরটিও আপনি দেখতে পারবেন এয়ার বেলুনে করে ঘুরে ঘুরে।

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাত জেগে স্মার্টফোন চালানোর সাথে ঘুমের সম্পর্ক

অনলাইন ডেস্ক

রাত জেগে স্মার্টফোন চালানোর সাথে ঘুমের সম্পর্ক

বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করতে করতে রাতে ঘুম না আসার সঙ্গে অতিরিক্ত স্মার্টফোন ঘাঁটার প্রত্যক্ষ সম্পর্ক আছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু শরীর নয়, প্রতিদিনের জীবনযাত্রার ওপরেও প্রভাব পড়ে এই অভ্যাসের কারণে। এমনকি অনেক সময় বদলে যেতে পারে পুরনো অভ্যাসও! 

দক্ষিণ ক্যারেলিনার ক্লেমসন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জুন পিচার জানান, চট করে মেজাজ বিগড়ে যাওয়া, প্রিয়জনদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা, ছোটখাটো সমস্যাতেই প্রতিক্রিয়া দেখানো, এগুলো রাতে ঘুম না হওয়ার ফলেই হয়।

গবেষণা বলছে, অনিদ্রার কারণে শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে আসে। ফলে দাম্পত্য কলহও বাঁধতে পারে এর ফলে। খিটখিটে মেজাজের ফলে বহুদিনের সম্পর্ক ভেঙেও যেতে পারে।


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

প্রথমবারের মতো দেশে পালিত হচ্ছে টাকা দিবস

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


এর ফলে আস্তে আস্তে আত্মবিশ্বাসও কমে যেতে পারে। প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরেও। চোখের তলায় ডার্ক সার্কেল, ফোলা ভাব এর কারণেই হয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌন উত্তেজনাও কমে আসে এর ফলে। 

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর