একদিন হঠাৎ থমকে যাবে সব আয়োজন!

জসিম মল্লিক

একদিন হঠাৎ থমকে যাবে সব আয়োজন!

আমার বিদেশে আসার প্রধান কারন আমার সন্তানদের নিরাপদ ভবিষ্যতের কথা ভেবে। আমাকে কেউ বাধ্য করেনি। আমি আপাতঃ নিরীহ টাইপ একজন মানুষ, কারো সাথে কোনো বিবাদে জাড়াই না। বিবাদ জিইয়ে রাখার মতো স্টামিনা আমার নাই।

আমি সবসময় আপস মিমাংসা করে নেই। কারো সাথে কখনো কিছু ঘটলে আমি নিজেই এগিয়ে আসি মিটিয়ে ফেলতে। নমনীয় হই। তবে কোনো অন্যায়ের কাছে আমি মাথা নত করব না। সেখানে আমি অবিচল। এটাও ভাবি ছোট্ট এই জীবনে ঝগড়া ফ্যাসাদ করে কোনো লাভ নাই। আমার বিদেশ চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল আকস্মিক। হুট হাট অনেক সিদ্ধান্ত নেই আমি। পূৰ্বাপৱ পরিণতি না ভেবেই করি। আবার সিদ্ধান্ত পাল্টানোর অনেক ঘটনা আছে আমার।

আমি অনেক সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগি। এমনও হয় কোথাও যাব বলে বের হয়েছি কিন্তু আবার ফেরত আসি। কোনো রেষ্টুরেন্ট খাব, সিদ্ধান্ত নিতে পারি না কি খাব, তাই বের হয়ে আসি রেষ্টুরেন্ট থেকে। অনেক সময় কাপড় চোপড় কিনে ফেরত দেই, নাহ্ এটা পছন্দ না! একবার আমি ইউরোপ যাব ট্যুরে, সব ঠিক ঠাক। টাকা এডভান্স দেওয়া হয়ে গেছে। ট্যুর শুরু হবে লন্ডন থেকে। টরন্টো লন্ডন টরন্টো রিটাৰ্ন টিকেটও কাটা শেষ, ট্রাভেল ইন্সুরেন্স কিনেছি। হঠাৎ আগের দিন সিদ্ধান্ত নিলাম ট্যুরে যাব না। ইউরোপ ট্যুর বাদ দিয়ে চলে গেলাম অটোয়া।

বিদেশ চলে যাওয়াটাও তেমনি। একদিন হঠাৎ মনে হলো দেশে থাকব না। চলে যাব কোথাও। এইসব চিন্তা ঢুকেছে ২০০০ সালের দিকে। সে বছর আমি আমেরিকা ঘুরতে যেয়ে হঠাৎ মনে হলো আরে এই দেশটাতো চমৎকার! কয়েকজন বন্ধু বলল থেকে যেতে। তখনও ৯/১১ হয়নি। আমেরিকা স্বর্গ। কিন্তু আমি ফিরে আসলাম। ফিরে এসে ঠিক করলাম, কানাডা যাব। সবাইকে নিয়ে যাব। সব ঠিক হওয়ার পর জেসমিন এবং আমার ছোট্ট অরিত্রি বেঁকে বসল বিদেশ যাবে না।

আমিও দ্বিধায় পড়ে গেলাম যাব কি যাব না। ততদিনে আমি দু'বার চাকরি বদল করেছি। নতুন চাকরিতেও সন্তষ্ট না। তাই বিদেশ চলে যাব। বিদেশে না জানি কত সুখ! জেসমিন তার চাকরি ছেড়ে যেতে ইচ্ছুক না। ছোট্ট অরিত্রি জানিয়ে দিল সে তার স্কুলের বন্ধুদের রেখে কোথাও যেতে চায় না। তখন সে স্কলাস্টিকায় সেকেন্ড গ্রেডে পড়ে। অৰ্ক চলে যাওয়ার জন্য এক পায়ে খাড়া। সে সব পরিবিশে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারে। ইন্টারনেট ঘেটে কানাডার সবকিছু জেনে নিয়েছে। একদিন আমরা বিদেশ পারি জমালাম। একটা সংসার উপড়ে আর একবার নতুন করে সংসার পাতা এতো সহজ কাজ না। ভিন্ন পরিবেশ, ভিন্ন ভাষা, ভিন্ন কালচার, ভিন্ন মানুষ।

আমি অতি সিম্পল একজন মানুষ। এলেবেলে মানুষ। কোনো কিছু গুছিয়ে করতে পারি না। যখন যেটা করা দৱকাৱ সেটা করতে পারি না। প্রায়ই ভুল করি। প্রতিভারও অভাব আছে। নিজেকে তুলে ধরতে পারি না। কারো নজরে পরার মতো না। যখন একা হই তখন ভাবি কত সাধারন এই আমার জীবন, কত সাধারন আমার চাওয়া পাওয়া! আমার শৈশব কৈশোর ছিল সহজ আর সরলতায় ভরা। সবার ছোট ছিলাম বলে আমার প্রতি ভাই বোনদের অসীম ভালবাসা ছিল, পক্ষপাত ছিল। আমাকে কখনো কোনো কাজ করতে হতোনা। আমি একটু আহ্লাদি আর অভিমানী ছিলাম। আমার অভিমান এখনও বাচ্চাদের পৰ্যায়ে রয়ে গেছে।

শৈশবে মাকে ঘিরেই সব স্বপ্ন গড়ে উঠেছিল। কোনো কিছু দরকার হলেই মায়ের স্মরণাপন্ন হতাম। সব চাহিদা যে মা পূরন করতে পারতেন তা না। আমাদের সময় কম বেশি সব সংসারেই এক ধরণের সংকট থাকে, টানাপোড়েন থাকে। আমাদেরও ছিল। মা যে সবসময় আমাকে বুঝতে পারতেন তা না। ওভাবেই আমি বেড়ে উঠেছি। এখন অনেক কিছুই করতে পারি। না চাইতেও ছেলে মেয়েরা সদা প্রস্তুত বাবাকে খুশী করার জন্য। জীবন কত বদলে যায় ভাবতে অবাক লাগে।

আর দশটা কিশোরের মতো আমি হাসি, খেলি, বেড়াই। কোনো বৈশিষ্ট নাই তেমন। তখন থেকেই আমি খুব স্পৰ্শকাতৱ ছিলাম। অন্যধারার ছিলাম। কারো সাথে আমার খাপ খেতোনা। মানুষের জীবনে বেঁচে থাকাও যে একটা সংকট সেটা আমি বুঝতাম। অনুভূতিপ্রবন মানুষের এমনই হয়। বই পড়ার অভ্যাস হয়েছিল ছোটবেলা থেকেই। নিজের কষ্টগুলো টের পেতাম আমি। বিষন্নতায় আক্রান্ত হতাম। কেনো যে আমার এমন হতো আজও জানিনা। পারাপারের ললিতের মতো মাঝে মাঝে আমার মাথায় আকাশ ঢুকে পরে। তখন আমার পাগল পাগল লাগে। কোনো কিছু আমাকে আকড়ে ধরে রাখতে পারে না। আমি সবসময় বন্ধনমুক্ত থাকতে চেয়েছি। স্বাধীনতায় বাঁচতে চেয়েছি। আবার স্বাধীনতাও আমাকে সুখ দিতে পারে না। সুখ আর দুঃখের অনুভূতিটাই বড্ড গোলমেলে। সেইসব কারণে আমাকে কেউ বুঝে উঠতে পারেনি। আমিও নিজেকে বোঝাতে পারিনি। অন্যকে বুঝতে পারিনি। কথা শেয়ার করার মতো কেউ ছিলনা আমার।

বরিশালের জীবনে আমি খুব একাকী হয়ে গেছিলাম। এক অজানা আকৰ্ষনে, অচেনা নেশায় বরিশাল ছাড়লাম একদিন। কোনো কিছু পাওয়ার জন্য না, কিছু হওয়ার জন্য না। একদিন শূন্য হাতে একাকী বেড়িয়ে পরলাম। শুধু নিজের কথাগুলো নিজেকে বলার জন্য, বেঁচে থাকতে হলে একটা অবলম্বন দরকার আমার তাই আমি ঠিক করলাম আমি লিখব। সেই লেখা কেউ দেখবে না, কেউ পড়বে না, কেউ জানবে না, তাও আমি লিখব।

আরও পড়ুন:


নির্বাচনে কারচুপি: ৬ সিটিতে সমাবেশ করবে বিএনপি

প্রেমিকার বাসা থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার, প্রেমিকা বলছে ‘আত্মহত্যা’

ইরানি কূটনীতিককে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেয়ার তীব্র নিন্দা

অনিয়ম আর দুর্নীতিতে ডুবছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিআরটিসি


পৃথিবী নামক জায়গাটা কঠিন এক জাৰ্নি। এর প্রতি পদে পদে রয়েছে ভয়, শঙ্কা আর অনিশ্চয়তা। কোনো কিছুই সহজে ঘটে না জীবনে। আবার পথ চলতে চলতে এও জানলাম পথের বাঁকে বাঁকে ভয় আর শঙ্কার পাশাপাশি ভালবাসা আর নিৰ্ভৱতাও রয়েছে। আমি যখন আউলা ঝাউলা হয়ে যাই ভোম্বলদাশ লাগে নিজেকে, অৰ্থহীন মনে হয় এই বেঁচে থাকা তখন এইসব ভাবনা মাথার মধ্যে জট পাকায়। তখন এলোমেলো করে দেয় সবকিছু। অন্য আর সবার মতো আমার কোনো দৌঁড়ঝাপ নাই, আমি তেমন কষ্টসহিঞ্চু না। জীবনটা সহজ রেখায় বয়ে চলুক এটাই আমি চাই। কিন্তু জীবনের চলার পথ এতো সহজ না। এর প্রতি পদে পদে রয়েছে লোভ লালসা ভয় আর ভুল করার আশঙ্কা। আমি প্রতি পদে পদে ভুল করি। সেই ভুল থেকে শিক্ষা নেই, আবার ভুল করি। অনেক অভিযোগ আমার সম্পৰ্কে। মানুষ হয়ে বেঁচে আছি বলেই জীবন যন্ত্রনা ভোগ করতে হয়। অভিযোগ শুনতে হয়। শরীর আর মন মিলিয়ে এক যন্ত্রনাময় জীবন যাপন করি আমরা।

আমার মধ্যে অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, অনেক অসম্পূর্তা রয়েছে। নিজেকে কখনোই যোগ্য করে তুলতে পারিনি। সবাই সব পারে না। সবাই সব পায় না। আমার চারপাশের মানুষদের প্রতিনিয়ত যে এক লড়াই দেখি, সফলতার জন্য, ক্ষমতার জন্য সেইসব থেকে আমি দুরে পড়ে আছি। আমি কখনোই তাদের মতো হতে পারব না। আমি সেসব জেনে গেছি। সেজন্য আমার কোনো অনুতাপ নাই, জীবন ফেনানো নাই। আমি আমার মতোই বেঁচে থাকতে চাই। এই তুচ্ছ জীবন নিয়েই পথ চলছি। ঘাটে ঘাটে নোঙর ভিরাই আমি। আজ এখানে কাল সেখানে। আমি কোথাও স্থির হতে পারিনি। আমার মা বলতেন, তুমি একটা পাখি, এই দেখি, আবার দেখি নাই। এই বলে মা কাঁদতেন। কেউ কারো জন্য কাঁদে না আজকাল। একমাত্র মা বাবারাই সন্তানের জন্য কাঁদেন। একমাত্র মা বাবাই সন্তানের জন্য অপেক্ষা করেন।

আমার জন্য কেউ যে অপেক্ষা করে না সেজন্য আমার অনেক নিৰ্ভাৱ লাগে। যখন আমি বরিশাল ছিলাম তখন সবসময় ভাবতাম এই গন্ডিবদ্ধ জীবনেই আমার সমাপ্তি ঘটবে! কিন্তু আমি মুক্তি চাইতাম। কিভাবে মুক্তি পাব তা জানতাম না। সেই থেকে ছুটে চলা শুরু হলো। নিজের অজান্তে জীবন থেকে জীবনের বাইরে চলে গেলাম। কিন্তু কোথাও নিজেকে প্রতিস্থাপন করতে পারিনি। বরিশাল থেকে ঢাকা চলে গেলাম। ঢাকা থেকে কানাডা। তারপর কত কত জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছি।  প্রতিবছর ঢাকা আসি। নতুন বইয়ের ঘ্রান নিতে আসি। বই আমাকে বাঁচিয়ে রাখে। কখনো বরিশাল ছুটে যাই। মা বাবার কবরের কাছে বসে থাকি। শান্তি পাই। তারপর আবার ফিরে যাই। এই যে আসা যাওয়া এর মধ্যেই একদিন হঠাৎ জীবন থমকে যাবে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সকলের জন্য শ্রবণশক্তির যত্ন

সাদিয়া তাজ ঐশী

সকলের জন্য শ্রবণশক্তির যত্ন

যোগাযোগ একটি মানবাধিকার এবং এটি সামাজিক সম্পর্কের অন্যতম অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। শ্রবণশক্তি ভালো যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বহন করে। শিশুদের জধ্যে শ্রবণশক্তি বিকশিত না হলে তারা অনেক সময় পরিপূর্ণভাবে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে না, যোগাযোগ ক্ষমতা ব্যাহত হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ২০৫০ সাল নাগাদ প্রতি চারজনে একজন শবণশক্তির ঘাটতিতে আক্রান্ত হবে। প্রতি বছর ৩ মার্চ বিশ্ব শ্রবণ দিবস পালিত হয়। ২০২১ সালের প্রতিপাদ্য ‌সকলের জন্য শ্রবণশক্তি শ্রবণ যন্ত্রের পরীক্ষাকরণ- পুনবাসন- যোগাযোগ।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


প্রবৃত্ত এবং অধির ফাউন্ডেশনের যৌথ প্রযোজনায় শব্দ দূষণ এবং শ্রবণ ক্ষমতার ঘাটতি এর উপর একটি ফিজিক্যাল সেমিনার সভা অনুষ্ঠিত হয়। এখানে শ্রবণশক্তির প্রতি কীভাবে যত্ন নেওয়া যায়, কীভাবে দূষণ প্রবণের ক্ষতিসাধন করে এসবই আলোচনা করা হয়। উক্ত সভাটি পরিচালনা করেন প্রবৃত্তির সভাপতি মুবাশশিরা বিনতে মাহবুব এবং এডমিন ও এইচআর লাবিবা মোর্শেদ।

এছাড়াও প্রবৃত্ত এবং অধীর ফাউন্ডেশন সম্মিলিতভাবে যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ওয়েবিনার এর আয়োজন করে, এতে জনস্বাস্থ্য বিশেজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। তারা শ্রবণ শক্তি বাংলাদেশ বধিরতার সামগ্রিক অবস্থা শ্রবণশক্তির সহায়ক যন্ত্র ও যন্ত্রের ব্যাপারে কথা বলেন। অডিয়েন্স থেকে প্রশ্নোত্তর এর একটি সেশন ছিলো যেখানে অতিথিরা উত্তর প্রদান করেন।

ওয়েবিনার এ শবণক্ষতির প্রতিরোধযোগ্য পদক্ষেপগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং এ ব্যাপারে সাধারণ মানুষের সচেতনতা তৈরির জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করা হয়ে থাকে।

সাদিয়া তাজ ঐশী, রিক্টর অফ পাবলিকেশন

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যারা মনে করেন মুশতাক মারা গেছেন কিশোর বেঁচে ফিরেছেন- তাঁরা ভুল

আরিফ জেবতিক

যারা মনে করেন মুশতাক মারা গেছেন কিশোর বেঁচে ফিরেছেন- তাঁরা ভুল

কিশোরকে আমি চিনতাম অতল প্রাণোচ্ছল একজন দুর্দান্ত সাহসী মানুষ হিসেবে। খানিকটা খ্যাপা, কিন্তু আপাদমস্তক একজন ভালো মানুষ। তাঁরা দুই ভাইই মেধাবী মানুষ, এরা সরকারি ঊর্দির চাকরি কিংবা বুয়েটের পড়াশোনার পর্ব চুকিয়ে ছন্নছাড়া এক সাহসী জীবন-যাপন করে।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


কিশোরের এই ছবি দেখে আমি চমকে গেছি। যারা মনে করেন মুশতাক মারা গেছেন আর কিশোর বেঁচে ফিরেছে- তাঁরা ভুল ভাবছেন।

কিশোরের ভেতরটাকে মেরে ফেলেছে সরকার, যা ফেরত দিয়েছে সেটা এক জীর্ণ লাশ মাত্র।

তবে শীতের শেষে বসন্ত এলে, এই কিশোরের জীর্ণ আঙুলে আবারও বিদ্রুপের ফুল ফুটবে, এই দৃঢ় বিশ্বাস আমার আছে। 
ভালো থাকুন কিশোর।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিসিএস এর প্রশ্নে নকলের অভিযোগ

আব্দুন নুর তুষার

বিসিএস এর প্রশ্নে নকলের অভিযোগ

৪২ তম বিসিএসের প্যাথলজি অংশের ২৫ টি প্রশ্নের মধ্যে ১৮ টি একই বই থেকে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আব্দুন নুর তুষার। নিজের ফেইসবুক পেইজে তিনি এই অভিযোগ করেন। তার স্ট্যাটাসটি হুবহু পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


৪২তম বিসিএস এর মেডিকেল অংশে প‍্যাথলজির ২৫ টা প্রশ্নের ১৮ টি একটি এমসিকিউ বই থেকে হুবহু তুলে দেওয়া।
Smiddy Pathology Question bank বের করে নিচের পেইজগুলো খুলে দেখতে পারেন!!
নকল করতে গিয়েও বানান ভুল!!
control কে লিখেছে cortisol!!!
আমার বহু বন্ধু শিক্ষক। অনেকেই প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করেন। এক জায়গা থেকে ১৮ টা প্রশ্ন টুকলি করাকে কি মডারেশন বলে? কেউ কি বলতে পারেন?
শুধু অযোগ্যতা না। এটা পরীক্ষা ও পরীক্ষার্থীদের মেধার অপমান।
smiddy
3 page  24.7
10 page 7.35
18 page 17.28
21 page 2.11
21 page 19.2
24 page 21.7
30 page 3.7
34 page 17.10
35 page 24.5
36 page 2.6
45 page 22.3
47 page 5.2
52 page 22.9
57 page 12.10
120page 7.3
203 page 14.10
245 page 17.27
301 page 24.7
মিলিয়ে দেখেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাচ্চাকে কী শেখাব, বুঝি না

কাজী তাহমিনা

বাচ্চাকে কী শেখাব, বুঝি না

ভালো মানুষ, সৎ মানুষ হয়ে এই দেশে থাকতে হলে সারাজীবন স্রোতের বিপরীতে চলতে হবে, মাঝেমাঝে চোর বাটপার ঘুষখোর লুটপাটকারী পাচারকারী ভোটচোরদের রমরমা অবস্থা দেখে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না, বড়জোর ‌‘বাজারে মুরগির দাম, তেলের দাম বাড়ছে’ জাতীয় মিনমিনে প্রতিবাদ করতে হবে।

কোটি কোটি জিপিএ ফাইভের ভিড়ে পড়াশোনা হারিয়ে যাবে।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


 

দূষিত বাতাস আর ভেজাল খাবার খেয়ে খেয়ে অর্ধমৃত অবস্থায় বাঁচতে হবে। আবার যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাটপারি শেখাবো যে সে এলেমও নাই। এরকম একটা ত্রিশঙ্কু অবস্থায় আছি।

কী শেখাব খুঁজে না পেয়ে, বড়টাকে বললাম, ১৫ টা বাংলা গল্পের বই আর ৫ টা ইংরেজি গল্পের বই (ছোট) পড়ে শেষ করতে পারলে সেপ্টেম্বর মাসে জন্মদিনে সে তার পছন্দমতো খেলনা ( রঙবেরঙ এর স্লাইম) আর উকুলেলে উপহার পাবে। এখন সকাল-বিকেল ‘মজার ভূত’ নিয়ে পড়ে আছে।

কাজী তাহমিনা, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক। (ফেসবুক থেকে)

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

‘তুমি খু-উ-ব কাছে চলে আসছো’

শওগাত আলী সাগর

‘তুমি খু-উ-ব কাছে চলে আসছো’

‘hey, you’re getting a bit too close,’-‘হেই, তুমি খু-উ-ব কাছে চলে আসছো’। সহকর্মীর কাছাকাছি হতেই কেউ যেনো সতর্ক করে দিলো। হ্যাঁ, এটিই এখন টরন্টো পিয়ারসন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে কর্মরত প্রায় এক হাজার কর্মীর জন্য বাস্তবতা।

অনেকটা পেজারের মতো ছোট্ট একটি ডিভাইস। ঠিক জামার সাথেই লাগিয়ে রাখা যায়।  কোভিডের সংক্রমণ থেকে এয়ারপোর্টে কর্মরত কর্মীদের রক্ষা করতে এই ডিভাইসের ব্যবহার শুরু করেছে এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ।

ডিভাইস সঙ্গে আছে এমন দুজন দুই মিটারের কাছাকাছি এলেই ডিভাইসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্ক করে দেয়- ‘hey, you’re getting a bit too close,’. পরষ্পরের কাছ থেকে দুই মিটার দূরে থাকাটা কোভিড প্রতিরোধে অনুসরণীয় স্বাস্থ্যবিধি।


আরও পড়ুনঃ


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

প্রথমবারের মতো দেশে পালিত হচ্ছে টাকা দিবস

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


এয়ারপোর্টের কর্মীরা কে কার কাছে গেছেন সেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ডেড হয়ে থাকে এই ডিভাইসে। কেউ কোভিডে আক্রান্ত হলে ডাটা দেখে সহজেই বের করে ফেলা যায় কার কার প্রতি মনোযোগ দিতে হবে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর