মেগা প্রকল্পে ভর করে বদলে যাচ্ছে দেশ

প্লাবন রহমান

মেগা প্রকল্পে ভর করে বদলে যাচ্ছে দেশ

মেগা প্রকল্পের ওপর ভর করেই বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা করোনার ধাক্কা কাটিয়ে গতি ফিরছে প্রকল্পগুলোতে। এমন বাস্তবতার মধ্যেও-নির্ধারিত সময়ে পদ্মা সেতু পুরো দৃশ্যমান করতে পারাটাই সবচেয়ে অর্জন হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রত্যাশা করছেন- পদ্মা সেতু, মেট্রোরেলের মত প্রকল্পগুলো শেষে সমৃদ্ধির পথে নতুন যাত্রা শুরু করবে বাংলাদেশ।

নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতু এখন এমনই দৃশ্যমান। ৪২ খুটির ওপর ৪১ স্প্যানে ভর করে দাঁড়িয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটারের পদ্মা সেতু।

করোনা সেইসঙ্গে বন্যার প্রতিবন্ধকতা স্বত্বেও নির্ধারিত সময় ডিসেম্বরের মধ্যে সব স্প্যান বসানো শেষ। এখন চলছে স্প্যানের ওপরে সড়ক নির্মাণ আর ভেতরে রেলসংযোগের কাজ। এর মধ্যেই প্রকল্পের মেয়াদ দু’বছর বাড়ানোর আবেদন সেতু বিভাগের। যদিও-২০২২ এর জুনে যান চলাচলের আশা পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে।

বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, সময় বৃদ্ধির প্রয়োজন আছে এটা আমরা বুঝতে পেরেছি। সময় বৃদ্ধি করা ছাড়া কোন উপায় নেই।

গেল বছর খুলে দেয়া হয়েছে আরেক মেগা প্রকল্প ঢাকা-মাওয়া-ভাঙা দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে। যেকারনে এখন রাজধানী থেকে তুলনামূলক কাছে মাওয়া আর নদী পার হলেই দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের জনপদ। তবে-পুরো সুফল পেতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে পদ্মা সেতু শেষ হওয়া পর্যন্ত।

রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল রুটে দ্রুত এগুচ্ছে দেশের প্রথম মেট্রোরেল নির্মাণকাজ। এরইমধ্যে দৃশ্যমান মেট্রো স্টেশন। উত্তরায় শেষের পথে মেট্রোরেলের ডিপো নির্মান, সব ধরনের আধুনিক সুবিধাসহ প্রস্তুত মেট্রোরেল ধোয়া-মোছার জায়গাও।

জাপানে এরই মধ্যে প্রস্তুত রয়েছে এরকম পাঁচ সেট লাল সবুজ মেট্রোরেল। যার প্রথমটি বাংলাদেশে আসছে আগামী মাসে। মেট্রোরেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক বলেন, প্রথম ট্রেনটা আসার পরেই আমরা দেখবো পরীক্ষা করতে কতোদিন লাগে। এরপরেই সিদ্ধান্ত নেব কবে থেকে চলবে মেট্রোরেল।

তবে-প্রত্যাশা অনুযায়ী এগুতে পারছে না রাজধানীর অন্য দুই গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্প এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং বাস র‌্যাপিড ট্র্যানজিট (বিআরটি) প্রকল্প। কয়েকদফা মেয়াদ বাড়িয়েও-সময়মত এই দুই প্রকল্প শেষ হওয়া এখনও বড় চ্যালেঞ্জ কর্তৃপক্ষের সামনে।

আর বাস র‌্যাপিড ট্রাসজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলছেন, এপ্রিল পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ আছে। তারপর হয়তো আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে।

আরও পড়ুন


মাওলানা মামুনুল হকের অনুসারীদের হামলার ঘটনায় আটক ২২

ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী

যে দোয়া বাঁচাতে পারে কবর আজাব থেকে

ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর পর তার স্ত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা করলো ভাসুর!


করোনার মধ্যেও আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মানকাজ শুরু হয়েছে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পে। চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের আশা, ২০২৬ সাল নাগাদ জাহাজ ভিড়তে পারবে মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দরে।

বাস্তবায়নের পথে হাটছে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল প্রকল্প।যেখানে নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত হচ্ছে চার লেন বিশিষ্ট ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ টানেল। এরইমধ্যে শেষ হয়েছে একটি টিউব খননকাজ। প্রকল্পের অগ্রগতি ৬০ ভাগের বেশি। নির্ধারিত সময় ২০২২ সালেই কর্ণফুলী টানেল নির্মান শেষের আশা কর্তৃপক্ষের।

মেগা প্রকল্প বিশেষজ্ঞ ড. শামসুল হকের মতে-করোনার ধাক্কায় সময়মত মেগা সব প্রকল্প শেষ কঠিন হবে।তারপরও- পুরো সুফল পেতে মেগা প্রকল্পগুলোর মধ্যে সমন্বয় জরুরী বলে মত এই বিশেষজ্ঞের।

তাই পিছিয়ে থাকা মেগাপ্রকল্পগুলোতে গতি ফেরানোয় কর্তৃপক্ষদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকছে চলতি বছরে। যেসব প্রকল্পে ভর করে পৃথিবীর কাছে আরো মর্যাদার আসনে বসতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জে বেপরোয়া গতিতে চলছে ঝুঁকিপূর্ণ নৌ যাত্রা!

অনলাইন ডেস্ক

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে বাল্কহেড, মালবাহী কার্গোসহ শত শত নৌযান চলাচল করে। লকডাউনের কারণে লঞ্চ ও স্পীডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় ইঞ্জিন চালিত নৌকাতে নদী পার হচ্ছেন অনেকে। তবে শীতলক্ষ্যার ব্যস্ততম নারায়ণগঞ্জ অংশে বেপরোয়া গতিতে নৌযানগুলো যেন প্রতিনিয়তই প্রতিযোগিতায় নামে। এ কারণে মাঝে মধ্যেই ঘটে দুর্ঘটনা। প্রাণ হারায়ও অনেকে। দুঘর্টনার কারণ হিসেবে ফিটনেসবিহীন যান আর অদক্ষ চালকদেরই দুষছেন স্থানীয়রা। 

গেল ৪ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে  যাত্রীবাহী লঞ্চকে একটি কার্গো জাহাজ পেছন থেকে ধাক্কা দিলে লঞ্চটি ডুবে যায়। পরে ৩৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। 

এভাবে একের পর এক দুঘটনা ঘটলেও শীতলক্ষা নদীর নারায়ণঞ্জ অংশে এখনও ঝুঁকি নিয়ে চলছে বাল্কহেড, মালবাহী কার্গোসহ শত শত নৌযান। লকডাউনের কারণে লঞ্চ ও স্পীডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় ইঞ্জিন চালিত নৌকাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হচ্ছেন অনেকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন নির্বিকার থাকায় নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছেন না নৌযান মালিক ও চালকরা। আর ফিটনেসবিহীন যান আর অদক্ষ চালকদের কারণেই ঘটে দুঘর্টনা।  

বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের তথ্য মতে, গেল এক বছরে শীতলক্ষ্যায় নারায়ণগঞ্জ অংশে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৫০টি নৌ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

বেপরোয়াভাবে চলছে সব স্পিডবোট, চালকদের নেই কোন নিবন্ধন

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

বেপরোয়াভাবে চলছে সব স্পিডবোট, চালকদের নেই কোন নিবন্ধন

দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের রাজধানীর সাথে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান রুট মাওয়া কাওড়াকান্দি নৌরুট। এই রুটটিতে এক সময় শুধু ফেরি চলাচল করতো। পরবর্তীতে ফেরির সাথে যুক্ত হয় ইঞ্জিন চালিত ট্রলার এরপর লঞ্চ। সর্বশেষ সংযোজন স্পিডবোট।

এই রুটের ঘাট পরিবর্তন হয়েছে একাধিকবার। এখন এই রুটের মাদারীপুর অংশের ঘাটের নাম বাংলাবাজার এবং মুন্সিগঞ্জ অংশের নাম শিমুলিয়া। এই শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে কোন স্পিডবোট চালকের নেই লাইসেন্স, বোট চলাচলের নেই কোন অনুমতি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৯০ এর দশকে এই নৌরুটে ফেরির পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদের পারাপারের বিকল্প বাহন ছিল ট্রলার। পরবর্তী সময়ে আধুনিক বাহন হিসেবে যুক্ত হয় লঞ্চ। ২০০২ সালের দিকে স্পিডবোট জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করে। সেই সময়ে মাত্র ১৫ থেকে ২০টি বোট চলাচল করতো এই নৌরুটে। দ্রুত সময় পারাপারের কারণে জনপ্রিয় হয়ে উঠে স্পিডবোট। যাত্রীদের কাছেও চাহিদা বাড়ে এই বাহনটির। জনপ্রিয়তার সাথে সাথে স্পিডবোটের সংখ্যা ও ভাড়ার পরিমাণ বাড়তে থাকে পাল্লা দিয়ে। সাথে বাড়তে থাকে স্পিডবোট দুর্ঘটনার মাত্রাও। প্রাণহানি, নিখোঁজ, পঙ্গত্বের সংখ্যাও বাড়ে।

এই নৌপথে দৈনিক গড়ে ৩০ হাজার মানুষ যাতায়াত করে। যাত্রীদের বড় একটি অংশ পারাপার হয় স্পিডবোটে। বর্তমানে এই নৌপথে প্রায় ২৫০টি স্পিডবোট চলাচল করে। কিন্তু অবাক করা বিষয় এই নৌরুটে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে স্পিডবোট চলাচলের কোন সরকারি অনুমিত নেই। স্থানীয় প্রশাসনের মৌখিক অনুমিত নিয়েই দিনের পর দিন চলছে এই ঘাতক বাহনটি। সরকারি কোন নীতিমালা বা নিবন্ধিত না থাকায় স্পিডবোটের সঠিক সংখ্যা সম্পর্কে তেমন ধারণা নেই কারও। তবে উভয় ঘাট মিলিয়ে আড়াইশ’র বেশি রয়েছে বলে ঘাট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র বলছে, স্বল্প সময়ে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায় বিধায় এটি যাত্রীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় একটি রুট। বিআইডব্লিউটিএ-এর তথ্য অনুযায়ী এই নৌরুটে নিয়মিত চলাচল করছে ৮৬টি ছোট-বড় লঞ্চ ও ১৬টি ফেরি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বোট চালানোয় কোনো প্রশিক্ষণ নেই চালকদের। আর চালকদের বেশির ভাগই উঠতি বয়সী তরুণ। বিশেষ করে পদ্মার ঘাট এলাকার এক শ্রেণির বখাটে, মাদকাসক্ত যুবকরাও স্পিডবোট চালক হিসেবে রয়েছে। আর এদের কাছেই বিভিন্ন সময়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা। নিয়ন্ত্রণহীন গতির কারণে ঘটছে দুর্ঘটনাও। তাছাড়া প্রতিটি ট্রিপেই ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী বহন করে এসব স্পিডবোট। নেই কোন কর্তৃপক্ষের তদারকি।

আরও পড়ুন


কারাগারে পাঠানো হয়েছে রিকশাচালককে নির্যাতনকারী সেই সুলতানকে

যেসব অঞ্চলে আজও ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে

লকডাউনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করায় আইনজীবীকে জরিমানা

হাসপাতালে আগুনের ঘটনায় ইরাকের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ


এদিকে এই নৌপথে চলাচলরত ৫০টির মতো স্পিডবোট বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক লাইসেন্স নিয়েছে। যে ক’টির লাইসেন্স আছে, তারও আবার নবায়ন নেই। ফলে চলাচলরত স্পিডবোটগুলোর সব ক’টিই অবৈধ।

এ সম্পর্কে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বাংলাবাজার ঘাটের ট্রাফিক পরিদর্শক আক্তার হোসেন বলেন, উভয় ঘাটে আড়াইশ স্পিডবোট চলে, যার একটিরও লাইসেন্স বা কোনো কাগজপত্র নেই। 

বিআইডব্লিউটিএ-এর শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী পরিচালক (নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগ) মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘প্রায় ৫০টি স্পিডবোটের লাইসেন্স আছে। তবে এগুলোর হয়তো নবায়ন নেই। এখানে আমাদের লাইসেন্স দিতে কোনো সমস্যা নেই। আমরা দ্রুত স্পিডবোটগুলো লাইসেন্সসহ চলাচলে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসব।’

এ সম্পর্কে বাংলাবাজার স্পিডবোট মালিক সমিতির সভাপতি ও পাঁচ্চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, ‘আমাদের পারে (বাংলবাজার) ১০টি স্পিডবোটের লাইসেন্স দেড় বছর আগে দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। এরপর এক বছর আগে ৩৯টি বোটের লাইসেন্সের জন্য কাগজপত্র ও তালিকা নেয়। চালকের প্রশিক্ষণের জন্য নামের তালিকা নেয়। কিন্তু নতুন করে আর লাইসেন্সও দেয়নি। আর চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও নেয়নি।

উল্লেখ্য, সোমবার সকাল ৬টার দিকে শিমুলিয়া থেকে যাত্রী বোঝাই একটি স্পিডবোট কাঁঠালবাড়ী ঘাটে নোঙর করে রাখা একটি বাল্কহেডের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে স্পিডবোটের ২৬ যাত্রী নিহত হয়।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর শপিংমলগুলোতে জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা

ফাতেমা কাউসার

ঈদের বাকি আর কয়েকদিন। এরইমধ্যে রাজধানীর শপিংমলগুলোয় জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা। তবে করোনা বাস্তবতায় গেলবারের তুলনায় বিক্রি কম বলে জানান দোকানিরা। 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনেকে বিপণী বিতানে আসলেও বেশিরভাগ ফ্যাশনহাউজ বলছে অনলাইনে বেড়েছে তাদের বেচাবিক্রি। 

ঈদ শপিং এ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনা পরিস্থিতি। বড় বড় শপিংমলগুলোতে তাই ক্রেতা সাধারণের সামাজিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার লম্বা লাইন।

অন্যবারের মতো ফ্যাশন হাউজগুলো এবারো ঈদ উপলক্ষে নিয়ে এসেছে নতুন নতুন কালেকশন। ক্রেতারাও ঈদ গরম দুটোকেই মাথায় রেখে সারছেন ঈদ কেনাকাটা।


রায়হান হত্যা: এসআই আকবরসহ ৬ জনের নামে চার্জশিট

ভারতে আজ ১০ হাজার রেমডেসিভির পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

আগামী মাসে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করলেন বাইডেন

বাবা-মা-বোনের পর এবার কোভিড পজিটিভ দীপিকা পাড়ুকোন


ঈদের বাকি আরো নয়দিন থাকায় দোকানিরা জানান সামনের দিনগুলোতে আরো বাড়বে তাদের বেচাকেনা।

এদিকে করোনার কথা চিন্তা করে অনেকেই আবার ঘরে বসেই সারছেন ঈদের কেনাকাটা। অনলাইনে আগের চেয়ে বিক্রি বেড়েছে বলে জানান অনেকে। সামনের দিনগুলোতে বেচা-বিক্রি আরো বাড়বে এমন প্রত্যাশা সবার।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে ইসলামপুরের কাপড় ব্যবসায়ীরা

ফাতেমা কাউসার:

ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে ইসলামপুরের কাপড় ব্যবসায়ীরা। তবে এবার বেচাকেনা অন্য বারের তুলনায় কম বলে জানান তারা। চলমান লকডাউনে গণ পরিবহন বন্ধ থাকায় কিছুটা হতাশ তারা। বলছেন, ঈদ পর্য্ন্ত বাজার খোলা থাকলে কিছুটা ক্ষতি কাটিয়ে নেয়া সম্ভব হবে।

দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি কাপড়ের বাজার পুরান ঢাকার ইসলামপুর। সারা বছর তো থাকেই, ঈদকে কেন্দ্র করে এই এলাকার বিশাল বাজার শুরু হয় শবে বরাতের আগেই।

দেশে তৈরি পোশাক এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা বিশেষ করে পাইকারি থান কাপড়ের বাজার হিসেবে পরিচিত হলেও এলাকাটিতে খুচরা কাপড়ের দোকানও রয়েছে সারি সারি। উৎসবকে কেন্দ্র করে এই পাইকারি বাজারে ব্যবসা থাকে জমজমাট।

তবে এবারের দৃশ্যপট একেবারেই আলাদা। বেড়েছে করোনার প্রকোপ। আর তাই সারাদেশে চলছে লকডাউন। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সারা দেশের ব্যবসায়ীরা এবার আসতে পারেনি এই পাইকারি বাজারে। আর তাই বেচা কেনাও কম বলে জানান বিক্রেতারা।

এ বছর না হলেও প্রতিবারই ঈদ মৌসুমে এ বাজারে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয় বলে জানান বাংলাদেশ বস্ত্র সমিতির নেতারা। সামনের দিনগুলোতে বেচা বিক্রি আরো বাড়বে এমন প্রত্যাশা ইসলামপুর পাইকারি বাজারের এই ব্যবসায়ীদের।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

প্রকৃত আসামি পলাতক

নামের মিল থাকায় এক নারীর সাজা খাটছেন আরেকজন

বড়ুয়া জয়:

শুধু নামের একাংশের মিল থাকায় বিনা অপরাধে দেড় বছরের বেশি কারাভোগ করছেন টেকনাফের হাছিনা বেগম। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার এক মাদক মামলায় ৬ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ হয়েছিল টেকনাফের হাসিনা আক্তারের। সেই সাজা খাটছেন হাছিনা বেগম। 

সম্প্রতি চট্টগ্রামের আদালত মূল আসামির সাথে সাজাভোগকারীর ছবির মিল-অমিল তুলে ধরে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন কারা কর্তৃপক্ষকে। আহাদুল ইসলাম বাবুর ক্যামেরায় নয়ন র রিপোর্ট।

হাছিনা বেগম, পুলিশের কোন অপরাধি তালিকায় নেই তার নাম। অপরাধ এক আসামির নামের প্রথম অংশ ও তার স্বামীর নামের একাংশের সঙ্গে মিল। তাই ঠিকানা জেলখানা। বন্দি আছেন দেড় বছরেরও বেশি সময়।

২০১৭ সালে ২৪ ফেব্রুয়ারী কর্ণফুলী থানার মইজ্জারটেকে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয় হাসিনা আক্তার। ৯ মাস জেল খেটে জামিন নিয়ে নিরুদ্দেশ হয় সে। বিচারে ২০১৯ সালের ১ জুলাই ৬ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ঘোষণা হয় হাসিনা আক্তারের। কিন্তু ৫ মাস পর টেকনাফ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় হাছিনা বেগম নামে একজনকে। 

হাছিনা বেগম প্রকৃত আসামি নয় বলে প্রতিবেদনও দিয়েছে টেকনাফ থানা পুলিশ। গোলাম মাওলা মুরাদ, হাছিনার আইনজীবী। শামীম নেওয়াজ,হাছিনা বেগমের ছেলে।

আইনজ্ঞরা বলছেন, আসামির পাশাপাশি এ ঘটনায় যারা জড়িত তাদেরও কঠোর শাস্তি দিতে হবে। মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী, পিপি,চট্টগ্রাম মহানগর।
 
এরকম বদলি সাজা খাটার আরো বেশ কয়েকটি ঘটনায় এরই মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রাম আদালতে। এটিকে আইনের শাসনের জন্য অশনিসংকেত বলছেন বিশিষ্টজনরা।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর