মেসি-নেইমারের গোলে খাবার মিলবে ১০ হাজার শিশুর

সাহিদ রহমান অরিন

মেসি-নেইমারের গোলে খাবার মিলবে ১০ হাজার শিশুর

দেখতে দেখতে এসে হাজির বিশ্বকাপের মাস জুন। ফুটবল মহাযজ্ঞ শুরু হতে আর বাকি মাত্র ১৩ দিন। রাশিয়া বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে শত কোটি দর্শক মাতাবেন লিওনেল মেসি, ব্রাজিলের হয়ে নেইমার জুনিয়র। আর তারা জালের দেখা পেলেই পেটে খাবার জুটবে ১০ হাজার শিশুর! 

অর্থ প্রদান ও পরিশোধে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান মাস্টারকার্ড ঘোষণা দিয়েছে, রাশিয়া বিশ্বকাপে মেসি কিংবা নেইমারের যে কেউ গোল করলেই ক্যারিবিয়ান ও ল্যাটিন আমেরিকা অঞ্চলের স্কুলগুলোর ১০ হাজার শিশু খাদ্য পাবে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মাস্টারকার্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, খুদে জাদুকর মেসি ও বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় নেইমারের এক-একটি গোলের বিনিময়ে তারা সুবিধাবঞ্চিত ১০ হাজার স্কুল শিক্ষার্থীর মাঝে টিফিন বিতরণ করবে। আর সেটা তারা দিবে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) মাধ্যমে।

এই ক্যাম্পেইনের অংশ হতে পেরে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক গর্বিত, ‘এমন একটি ক্যাম্পেইনের অংশ হতে পেরে আমি গর্ববোধ করছি। এটা হাজার হাজার শিশুর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। হাজার হাজার শিশুর মুখে হাসি ফোটাবে।’

মাস্টারকার্ডের এমন উদ্যোগের অংশ হতে পেরে নেইমারও দারুণ খুশি, ‘আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, এই অঞ্চলের শিশুরা এক প্লেট খাবার পাবে। একটু আশা পাবে। আমরা, ল্যাটিন আমেরিকানরা ভালো করেই জানি- আমরা ঐক্যবদ্ধ হলে অনেক কিছুই করতে পারি। অতীতে এমন অনেক নজির আমরা স্থাপন করেছি। একসঙ্গে আমরা ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়াই করতে চাই।’

মাস্টারকার্ডের মুখপাত্র জানেত রিভেরা-হার্নান্দেজ জানান, ‘ল্যাটিন আমেরিকায় ৪০ মিলিয়নের বেশি মানুষ প্রতিনিয়ত ক্ষুধার্ত থাকছে। তাদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যাই বেশি। ক্ষুধাকে পরাজিত করা, শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূর করা এবং তাদেরকে শিক্ষিত করে তোলা জরুরি। তাহলেই ক্ষুধাচক্র ভেঙে ফেলা সম্ভব।’

গেল দুই বছরে মাস্টারকার্ড ক্যারিবিয়ান ও ল্যাটিন আমেরিকা অঞ্চলে ১০ মিলিয়ন খাবার বিরতণ করেছে। বিশ্বকাপে মেসি-নেইমারের গোল এই সংখ্যাটা আরো বাড়াবে। 

সূত্র: মাস্টারকার্ড নিউজরুম

অরিন/নিউজ টোয়েন্টিফোর

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানকে ১৪-০ গোলে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

পাকিস্তানকে ১৪-০ গোলে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে ১৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ বালিকা চ্যাম্পিয়নশিপের নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দূরন্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে এগিয়ে ছিল ৬-০ গোলের ব্যবধানে। এ জয়ের ফলে সেমিফাইনালের পথ অনেকটাই মসৃণ হয়ে গেল বাংলাদেশের জন্য।

ভুটানের রাজধানী থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধে জোড়া গোল করেছেন তহুরা খাতুন। বাকি চার গোল করেছেন মারিয়া মান্ডা, মানিকা চাকমা, আখি খাতুন ও শামসুন্নাহার।

শেষ ম্যাচ তারা খেলবে ১৩ আগস্ট নেপালের বিপক্ষে।
 
(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ থেকে কত টাকা আয় করলেন পুতিন?

ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপ থেকে কত টাকা আয় করলেন পুতিন?

রাশিয়া বিশ্বকাপ শেষ। সবকিছু মিলিয়ে সফলতম আয়োজনই বলা চলে সদস্য সমাপ্ত ফুটবল মহাযজ্ঞকে। তবে আসর ‘শেষ হইয়াও যেন হইলো না শেষ’! এখন হিসেব চলছে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির।

অনেকেই জানতে উদগ্রীব হয়ে আছেন- রাশিয়া বিশ্বকাপে পুতিনের আয় কত? বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থার হিসেবে জানা গেছে রাশিয়া বিশ্বকাপের আয়-ব্যয়ের নানা হিসেব। জেনে নিন বিস্তারিত।

২০১৮ বিশ্বকাপ আয়োজন করতে আয়োজক রাশিয়া খরচ করেছে দেশটির মুদ্রায় প্রায় ৮৮৩ বিলিয়ন রুবল। বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে ৪ মিলিয়নেরও বেশি লোকের সমাগম ঘটেছিল রাশিয়ায়। বিশ্বকাপের পর্দা নামার পর হিসাব-নিকাশ শেষে জানা গেল, আসরটি থেকে  ১৮৪ বিলিয়ন রুবল উপার্জন করেছে রাশিয়া! তাহলে কি লোকশানই গুনতে হলো বিশ্বের বৃহত্তম রাষ্ট্রকে?

এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে রাশিয়ায় আশা পর্যটকরা দেশটির রাজধানী মস্কোতে খরচ করেছেন ৯৬.৫ বিলিয়ন রুবল, যা মস্কোর বাজেটের চেয়ে ১৩.২ বিলিয়ন রুবল বেশি। কাজানে সমর্থকরা খরচ করেছেন ১১.২ বিলিয়ন রুবল, যা ২০১৭ সালে কাজানে স্বাভাবিক খরচের হিসাবের চেয়ে ৬গুণ বেশি। খাবার-বাসস্থান ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে কাজানে পর্যটকদের গড়পড়তা দৈনিক খরচ ছিল ৩৭ হাজার রুবল।

নিঝনি নভগোরদে স্থানীয় ব্যবসায় অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন রুবল অর্জন হয়েছে। বিশ্বকাপ আয়োজনে রাশিয়ার মোট খরচ হয়েছে ৮৮৩ বিলিয়ন রুবল। আর টুর্নামেন্ট থেকে রাশিয়ার নিট উপার্জন ছিল ১৮৪ বিলিয়ন রুবল।

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে সমর্থকরা ১৭ বিলিয়ন রুবলের চেয়েও বেশি খরচ করেছেন। ১১ শহরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৬.২ বিলিয়ন রুবল খরচ করেছেন মস্কোতে থাকা সমর্থকরা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে একাতেরিনবার্গ।

সেখানে সমর্থকরা খরচ করেছে ২১১ মিলিয়ন রুবল। আর ১৪৬ মিলিয়ন রুবল খরচ করে এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে কাজান শহর। টুর্নামেন্ট চলাকালীন, পর্যটকরা দৈনিক ৫শ থেকে ২ হাজার ডলার খরচ করেছেন। এর শতকরা ৪০ ভাগ অর্থই খরচ হয়েছে বিশ্বকাপের বিভিন্ন স্মারক ও খাবার কিনতে।


অরিন/নিউজ টোয়েন্টিফোর

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

‘ওস্তাদের মার শেষ রাতে’ বুঝিয়ে দিল বিড়াল(ভিডিও)

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

‘ওস্তাদের মার শেষ রাতে’ বুঝিয়ে দিল বিড়াল(ভিডিও)

জ্যোতিষী বিড়াল অ্যাকিলিস।

বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো কাপ ঘরে তুলবে ফ্রান্স এ ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল জ্যোতিষী বিড়াল অ্যাকিলিস। অন্যদিকে আরব আমিরাতের উট শাহীন ও রাশিয়ার সার্বিয়ান বাদামি ভালুক বুয়ান ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল অ্যাকিলিসের বিপরীতে। অবশেষে ফ্রান্সের জয়ের মাধ্যমে জ্যোতিষী বিড়াল বুঝিয়ে দিল ‘ওস্তাদের মার শেষ রাতে’।

বিশ্বকাপের সেমিতে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে ক্রোয়েশিয়া। অন্যদিকে শক্তিশালী বেলজিয়ামকে টপকে ফাইনালে উঠেছে ১৯৯৮ এর বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। দু’দল মহারণে নামার আগেই ফাইনালে কে জিতবে তা নিয়ে ভবিষ্যদ্বণী করেছিল আরব আমিরাতের জ্যোতিষী উট শাহীন ও রাশিয়ার ভালুক বুয়ান।

তাদের দুজনই সমর্থন দিয়েছে ক্রোয়েশিয়াকে। ফ্রান্সকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ঘরে তুলবে ৪২ লাখ জনসংখ্যার দেশ ক্রোয়েশিয়া।

এদিকে জ্যোতিষী বিড়াল অ্যাকিলিস সমর্থন দিয়েছে উট ও ভালুকের বিপরীতে। তার দাবি, ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলবে ফ্রান্স।

চলতি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তেমন সুবিধা করতে না পারলেও দ্বিতীয় রাউন্ডে আট ম্যাচের মধ্যে ছয়টিতেই সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী দিয়েছে শাহীন। কোয়ার্টার ফাইনালেও প্রায় সবগুলো ম্যাচে সঠিক জয়ী খুঁজে নিয়েছে আরব আমিরাতের এ উট। সেমিফাইনালের দুটি ম্যাচেরই সঠিক জয়ী চিহ্নিত করেছে শাহীন। এদিক থেকে লক্ষ করলে দেখা যায় শাহীনের কথা অনুযায়ী হয়তো সত্যি সত্যি এবার বিশ্বকাপ জিতবে ক্রোয়েশিয়া।

শাহীনের পাশাপাশি রাশিয়ার ক্রাসনয়ার্স্কের রয়েভ রুচেয় চিড়িয়াখানার সার্বিয়ান বাদামি ভালুক বুয়ান বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে শনিবার ভবিষ্যদ্বাণী দিয়েছিল। ভালুকটির সামনে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়া দুই দেশের পতাকা কাঠি দিয়ে খাবারের সঙ্গে আটকে রাখা হয়। বুয়ান যে খাবারটি খেয়েছে তার সঙ্গে আটকানো ছিল ক্রোয়েশিয়ার পতাকা।

এদিকে উট ও ভালুকের ভবিষ্যদ্বাণী উড়িয়ে দিয়েছিল বিড়াল। ভবিষ্যদ্বক্তা বিড়াল অ্যাকিলিসের সামনে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়া বিছানো পতাকায় একই রকমের খাবার রাখা হয়। বেশ কিছুক্ষণ ভেবে অ্যাকিলিস বিড়াল ফ্রান্সের পতাকায় রাখা খাবারটি খাওয়া শুরু করেন। মানে তার মতে এবার বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স। অবশেষে বিড়ালের কথাই সত্যি হলো। ক্রোয়েশিয়ানদের কাঁদিয়ে দ্বিতীয়বারে মতো বিশ্বকাপ ঘরে তুলল ফ্রান্স। এর মাধ্যমে জ্যোতিষী বিড়াল বুঝিয়ে দিল ‘ওস্তাদের মার শেষ রাতে’।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মেসি-রোনালদোকে ভোট দেবেন যেভাবে

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

মেসি-রোনালদোকে ভোট দেবেন যেভাবে

২১তম বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে ২০ বছর পর দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তোলে ফ্রান্স।

বারের বিশ্বকাপে গোল হয়েছে মোট ১৬৯টি। এর মধ্যে আত্মঘাতী ১২টি। পেনাল্টি থেকে এসেছে ২৩টি। বাকি গোলের সবকটিই ছিল মনোমুগ্ধকর। বাকি গোলের মধ্যে সেরা কোনটি? সেটা জানা যাবে আগামী ২৩ জুলাই।

সেরা গোলের জন্য ১৮টি গোল নির্বাচন করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। যেখানে স্থান পেয়েছে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে দেওয়া লিওনেল মেসির এবং স্পেনের বিপক্ষে করা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর গোলটি।
সেরা গোল নির্বাচনের জন্য পাঠকরা বিশ্বের যে কোনও প্রান্ত থেকে ভোট দিতে পারবেন।

ডেনিস চেরিশেভ (রাশিয়া বনাম সৌদি আরব, প্রথম গোল) 
আরতেম জিউবা (রাশিয়া বনাম মিশর) 
ডেনিস চেরিশেভ (রাশিয়া বনাম ক্রোয়েশিয়া) 
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল বনাম স্পেন)
নাচো (স্পেন বনাম পর্তুগাল)
ফিলিপে কৌতিনহো (ব্রাজিল বনাম সুইজারল্যান্ড)
দ্রিয়েস মার্টেনস (বেলজিয়াম বনাম পানামা) 
হুয়ান কুয়েন্তেরো (কলম্বিয়া বনাম জাপান)
লুকা মদ্রিচ (ক্রোয়েশিয়া বনাম আর্জেন্টিনা)
আহমেদ মুসা (নাইজেরিয়া বনাম আইসল্যান্ড)
লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা বনাম নাইজেরিয়া) 
টনি ক্রুস (জার্মানি বনাম সুইডেন)
হেসে লিনগার্ড (ইংল্যান্ড বনাম পানামা)
রিকার্ড কুয়ারেজমা (পর্তুগাল বনাম ইরান)
আদনান ইয়ানুজাই (বেলজিয়াম বনাম ইংল্যান্ড)
এঞ্জেল ডি মারিয়া (আর্জেন্টিনা বনাম ফ্রান্স)
বেঞ্জামিন পাভার্ড (ফ্রান্স বনাম আর্জেন্টিনা)
নাসের চ্যাডলি (বেলজিয়াম বনাম জাপান)

ভোট দিতে ক্লিক করুন 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাজসিক সংবর্ধনায় সিক্ত বেলজিয়াম

ক্রীড়া ডেস্ক

রাজসিক সংবর্ধনায় সিক্ত বেলজিয়াম

রাশিয়া বিশ্বকাপে হট ফেভারিট ছিল বেলজিয়াম। বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও আসরে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করে দেশে ফিরেছে তারা। রাজধানী ব্রাসেলসে পা রািখার পর নগরীর কেন্দ্রস্থল গ্রান্ড মার্কেটে রাজকীয় সংবর্ধনায় সিক্ত হয়েছেন হ্যাজার্ড-লুকাকু-কোর্তোয়ারা। স্থানীয় সময় রোববার বিকেলে দেশে ফিরে আসে বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্মের খেতাব পাওয়া দলটি।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ বলেন, ‘আমরা শিরোপা নিয়েই ফিরতে চেয়েছিলাম। যখন ব্রাজিলকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছলাম, তখন সম্পূর্ণ মনোযোগ ছিল ফাইনালের দিকে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এই খেলোয়াড়রাই বেলজিয়ামকে ইতিহাস ফিরিয়ে দিয়েছে। এটি অবশ্যই বিবেচনার বিষয়। এরা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। দেশবাসীর কাছ থেকে সেটি তারা পেয়েছে।’

এদিকে, দেশে ফেরার পর ব্রাসেলসে রাজ পরিবারও সংবর্ধনা দিয়েছে রাশিয়া ফেরত বেলজিয়াম দলকে। এ সময় ব্রাসেলসের রয়্যাল ক্যাসলের সামনে হাজার হাজার সমর্থক উপস্থিত হয়ে তাদের অভ্যর্থনা জানায়। 

কোচ মার্টিনেজ ও অধিনায়ক এডেন হ্যাজর্ডাকে সর্বপ্রথম অভ্যর্থনা জানান রাজা ফিলিপ ও রাণী ম্যাথিলদে। এরপর রাজ পরিবারের সঙ্গে একে একে করমর্দন করতে আসেন রোমলেু লুকাকু, মারুয়ান ফেলাইনি, কেভিন ডি ব্রুইনাসহ দলের বাকি সদস্যরা।

সূত্র: দ্য সান, স্পোরজা

অরিন/নিউজ টোয়েন্টিফোর

মন্তব্য

পরবর্তী খবর