২৪ ফেব্রুয়ারি ,রবিবার, ২০১৯

শিরোনাম

> বিশেষ প্রতিবেদন

 

রিশাদ হাসান, কুতুপালং (কক্সবাজার) থেকে ফিরে

২৮ এপ্রিল ,শনিবার, ২০১৮ ১৩:৪৫:৩০

অফস্ক্রিনের গল্প

হাত বাড়ালেই রোহিঙ্গা যৌনকর্মী! (ভিডিও)


হাত বাড়ালেই রোহিঙ্গা যৌনকর্মী! (ভিডিও)

দালালের হাত ধরে দেহ ব্যবসায় পা বাড়িয়েছে হাজারো রোহিঙ্গা নারী


গেল বছর ২৫ আগস্টের পর থেকে যে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে তাদের একটি বড় অংশ জড়িয়ে পড়েছে যৌন ব্যবসায়। টাকা নিয়ে হাত বাড়ালেই মিলছে নিষিদ্ধ জগতে পা রাখা বিভিন্ন বয়সী রোহিঙ্গা নারী। রয়েছে শিশুও। আর অর্থের বিনিময়ে যৌনকর্মী ও খদ্দেরের মধ্যে যোগাযোগ করে দিচ্ছে কক্সবাজার জুড়ে ছড়িয়ে থাকা কয়েকশ' দালাল। এইসব দালালদের ফোন নম্বর পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, সিএনজি চালক থেকে শুরু করে সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন চায়ের দোকানেও।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা নারীদের দিয়ে যৌন ব্যবসা করাচ্ছে দালালরা- এমন সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে শুরু হয় নিউজ টোয়েন্টিফোরের গোপন অনুসন্ধান। খুব বেশি সময় লাগেনি এর হদিশ বের করতে। শহরে ঢুকেই এক অটোরিকশা চালকের কাছ থেকেই পাওয়া গেল এমন চারজন দালালের ফোন নম্বর। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এই চক্রের প্রমাণ সংগ্রহ করা সম্ভব নয়। তাই খদ্দের সেজে যোগাযোগ করা হয় দালালদের সঙ্গে। ফোন করা মাত্রই রোহিঙ্গা নারী সরবরাহ করতে রাজি হয় তিনজন। এসব রোহিঙ্গা নারীদের দুইটি ভাগে ভাগ করে দর নির্ধারণ করেন দালালরা। এক. রোহিঙ্গা, দুই. বার্মিজ। 

এখানে ভালো রোহিঙ্গা মেয়ে পাওয়া যাবে কিনা জানতে চাইলে, ফোনে এক দালাল কক্সবাজারের আঞ্চলিক ভাষায় জানান, এখানে পাওয়া যাবে না। ক্যাম্প থেকে এনে দিতে হবে। প্রতি বার্মিজ মেয়ের জন্য তাকে দিতে হবে চার হাজার টাকা। এর পর রাতে বিভিন্ন দালালের সঙ্গে ফোনে দফায় দফায় যোগাযোগ করা হয়। তাদেরকে বোঝানো হয় টাকা কোন ব্যাপার না। টাকার গন্ধ পেয়ে এক পর্যায়ে দালালরাই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যেতে থাকে। আশ্বাস দেয় রোহিঙ্গা যৌনকর্মীদের বিভিন্ন আস্তানা ঘুরিয়ে দেখানোর। আমরাও অপেক্ষা করতে থাকি- কখন সূর্য উঠবে। সংবাদের তরতাজা তথ্য-প্রমাণের আশায় রাতটা কেটে যায় নির্ঘুম। নানা পরিকল্পনা করতে থাকি।

পরদিন সকালেই ফের যোগাযোগ হয় দালালদের সঙ্গে। আমাদের নিয়ে যাওয়া হয় 'কাঙিক্ষত' সেই ঠিকানায়। দালালদের সবগুলো আস্তানা ঘুরে দেখি আমরা। সম্ভবত টাকাওয়ালা খদ্দের আসবে- এমন কথা আগেই জানিয়ে রাখা হয়েছিল। তাই আলো-আঁধারির প্রতিটা ঘরে ঢুকতেই মনে হলো মেয়েগুলো যেন আমাদের অপেক্ষাতেই আছে। প্রতিটা ঘরেই তিন-চারজন রোহিঙ্গা তরুণী। চোখে কাজল, ঠোঁটে লিপস্টিক। দৃষ্টি আকর্ষণের নানা চেষ্টা। কিন্তু, আমাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন তা তাদেরকে কোনমতেই বুঝতে দিলাম না।

আলাপচারিতায় নাসির, বেবি ও বকুল নামের দালালরা নিজেদের এনজিও কর্মী বলে পরিচয় দেয়। এদের মধ্যে বেবি আক্তার প্রচুর রোহিঙ্গা নারী সরবরাহের কথা জানান। কয়েকজন রোহিঙ্গা তরুণীকে দেখিয়ে বলেন, এরা ভালো হবে। বার্মিজ মেয়ে ভালো হবে না। আমার কাছে পাঁচ হাজার বার্মিজ মেয়ে আছে। লাগলে দেব।

বেবির সঙ্গে কথা পাকাপাকি করে আসলাম। কথা অনুযায়ী রাত ১১টায় কক্সবাজারের লাবনি পয়েন্ট এলাকায় বেবি আমাদের দুইজন রোহিঙ্গা যৌনকর্মীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। এজন্য তাকে গুনে গুনে দিতে হয় আট হাজার টাকা। আমাদের উদ্দেশ্য কৌশলে দুই যৌনকর্মীর কাছ থেকে প্রকৃত ঘটনা জানা। কী পরিমাণ রোহিঙ্গা নারী এই অন্ধকার জগতে পা রেখেছেন, কারা এর নেপথ্যে কাজ করছে সেই খবর জানা। যৌনকর্মীদের ভেতর একজন ক্যাম্পে এসেছেন গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে। বলেন, আমার পরিবারের অভাব মেটাতে বাধ্য হয়ে এই কাজ করতে এসেছি। অন্যজন জানায়, ক্যাম্পে অনেক নতুন রোহিঙ্গা নারী আছে। তবে বললেই তারা আসবে না। চেষ্টা করলে তাদের আনা কঠিন কিছু নয়।

আমরা হাঁটতে হাঁটতেই অনেক কথা বললাম। তারা জানায়, খদ্দের খুঁজতে যৌনকর্মীরা নির্জন রাস্তাগুলোকেই বেঁছে নেয়। কারণ, এখানে সবসময় পুলিশ থাকে না। 

আরও পড়ুন: যৌন ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছেন রোহিঙ্গা নারীরা

রোহিঙ্গা নারীদের দেহব্যবসায় জড়িয়ে পড়া নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা বিভিন্ন এনজিও সংস্থার কাছে সঠিক কোন তথ্য ও পরিসংখ্যান না থাকলেও তারা ধারণা করছেন, যেসব পুরাতন রোহিঙ্গা আগে থেকে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন তাদের হাত ধরে এই নতুন রোহিঙ্গারা জড়িয়ে পড়ছেন এই অনৈতিক অন্ধকার জগতে। পুলিশের দাবি এটা রোধ করতে তারা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন। এ পর্যন্ত অনেক দালালকে আটক করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আফরুজুল হক টুটুল নিউজ টোয়েন্টিফোরকে বলেন, যারা এসব কাজে জড়িত আমরা তাদের তালিকা করেছি। তালিকা ধরে ধরে আমরা অভিযান চালাচ্ছি। 

গত নভেম্বরে প্রকাশিত রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, কক্সবাজার শরনার্থী ক্যাম্পে এই পেশায় জড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে ১০ হাজার নারী। 


‘আমরা শান্তিপ্রিয়, তবে হুমকির মুখে ভীত নই’
‌‘যুদ্ধে বিজয়ী হতে সব করবে ভারত’
জাজাই তাণ্ডবে অস্ট্রেলিয়ার রেকর্ড চুরমার
চকবাজারে ফের আগুন আতঙ্ক
মুশফিকের টেস্ট খেলা অনিশ্চিত!
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জাতিসংঘের শোক
‘৮ লাখ ফেরত পাঠানোর চেষ্টা চলছে’
বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে যা বললেন বিরাট
ভারতে বিস্ফোরণে ১১ জন নিহত
‘হেফজতিরাও কাদিয়ানী হামলায় জড়িত’  
‘পাহাড়ে আগের মতো আনন্দ নেই’
অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন 
জমি নিয়ে সংঘর্ষে গেল দুই প্রাণ
চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিকে হামলা
‘ট্রাম্প পছন্দ করে, তাই বিস্মিত করবে ইরান’
‘গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই আগুন লাগে’
আসামে মদপানে মৃত বেড়ে ৮৪
সেফটিক ট্যাংকে যুবকের লাশ
কক্সবাজারে গোলাগুলিতে নিহত ২
ইভটিজিংয়ের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতার কারাদণ্ড
‘আমরা শান্তিপ্রিয়, তবে হুমকির মুখে ভীত নই’
‌‘যুদ্ধে বিজয়ী হতে সব করবে ভারত’
জাজাই তাণ্ডবে অস্ট্রেলিয়ার রেকর্ড চুরমার
চকবাজারে ফের আগুন আতঙ্ক
মুশফিকের টেস্ট খেলা অনিশ্চিত!
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জাতিসংঘের শোক
‘এমএ পাস’ ওসি দিচ্ছেন এসএসসি পরীক্ষা
‘৮ লাখ ফেরত পাঠানোর চেষ্টা চলছে’
বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে যা বললেন বিরাট
ভারতে বিস্ফোরণে ১১ জন নিহত
‘হেফজতিরাও কাদিয়ানী হামলায় জড়িত’  
‘পাহাড়ে আগের মতো আনন্দ নেই’
অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন 
জমি নিয়ে সংঘর্ষে গেল দুই প্রাণ
চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিকে হামলা
‘ট্রাম্প পছন্দ করে, তাই বিস্মিত করবে ইরান’
‘গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই আগুন লাগে’
আসামে মদপানে মৃত বেড়ে ৮৪
সেফটিক ট্যাংকে যুবকের লাশ
কক্সবাজারে গোলাগুলিতে নিহত ২
মোদিকে বড় ভাই বললেন সালমান, ব্যাপক বিক্ষোভ
ঘর ভাঙলো কমেডি অভিনেতা সিমান্ত ও মীমের
শ্বশুরবাড়ির সবাইকে অচেতন করে শ্যালিকাকে ধর্ষণ!
পাকিস্তানিদের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিল ভারত
'আধুনিক একটি গাড়িও উদ্ধারকাজে ব্যবহার করতে পারিনি'
গর্ভবতী স্ত্রী নামতে পারেননি, তাই নামেননি স্বামীও
ভারতে মধ্য আকাশে ২ বিমানের সংঘর্ষ
আইপিএলের প্রথম পর্বের সূচি প্রকাশ
ভারত-পাকিস্তানকে যা বলল জাতিসংঘ
‘এমএ পাস’ ওসি দিচ্ছেন এসএসসি পরীক্ষা
চকবাজারে ফের আগুন আতঙ্ক
জার্মান সাংবাদিকদের ওপর রোহিঙ্গাদের হামলা
সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী কারাগারে
'আক্রমণ করলে প্রত্যুত্তরে জন্য প্রস্তুত রয়েছে পাকিস্তানও'
চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে স্বজনদের আহাজারি
‘আত্মঘাতি বোমা হামলাকারী পাকিস্তানের’
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায় আমিরাতের দুই কোম্পানি
চকবাজারে আগুনের ঘটনায় মমতার শোক
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৭০টি মরদেহ উদ্ধার: আইজিপি
উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নেয়া হতাশাজনক: সিইসি 

সব খবর