প্রকল্প বাস্তবায়নে দক্ষতার অভাব দৃশ্যমান

বাবু কামরুজ্জামান

প্রকল্প বাস্তবায়নে দক্ষতার অভাব দৃশ্যমান

এক প্রকল্পে একজনের বেশি পরিচালক নয়, প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার পর তার বাস্তবায়ন দ্রুত এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। 

এসময় তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার, জনপ্রশাসন কিংবা সড়ক জনপথ সব বিভাগের ক্ষেত্রেই প্রকল্প পরিচালককে রাজধানী নয়, তার নির্দিষ্ট এলাকাতে থাকতে হবে। অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, এক্ষেত্রে এখনো বড় বাঁধা প্রশাসনিক দক্ষতার অভাব।

প্রায় প্রতি সপ্তাহেই হাজার কোটি টাকার প্রকল্প পাস হয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায়।যেখানে প্রায় অর্ধেক প্রকল্পই থাকে সংশোধনী বা মেয়াদ বৃদ্ধির। যথাসময়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন না হওয়া এবং খরচ বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ বহু পুরনো। ফলে প্রকল্প থেকে প্রকৃত সুফলও মিলে না। দেশের উন্নয়ন প্রকল্পের অপচয় কমাতে সরকারের নির্দেশনা থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা উপেক্ষিত থেকে যায়।

অনেকক্ষেত্রেই আবার একজন প্রকলণ্প পরিচালক দায়িত্ব পালন করছেন ১০ থেকে ১৪ টি প্রকল্পে।ফলে প্রকল্পের গুণগত মান ও সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন প্রশ্নবিদ্ধ থেকে যায়।  এ নিয়ে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও দেয়া হয়েছে কঠোর নির্দেশনা।  বলা হয়েছে, একাধিক প্রকল্পে  একজন কর্মকর্তাকে পিডি হিসেবে নিয়োগ দেয়া ভয়াবহ। ২২ ফেব্রুয়ারির পর যা আর থাকছে না। এ বিষয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রীর কয়েক দফা নির্দেশনা থাকলেও তা কার্যকর হয়নি।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, প্রকল্প এক জায়গায় প্রকল্প পরিচালকরা থাকেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ঢাকার বাইরের প্রকল্প অথচ পরিচালকার থাকেন ঢাকাতে। এই বিষয়টি আগে পরিবর্তন করতে হবে।

আরও পড়ুন:


তিন ভ্যেনুতে আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব

দক্ষিণ কোরিয়ার নাবিকদের ইরান ত্যাগের অনুমতি

নাতাঞ্জ ও ফোরদু পরমাণু স্থাপনায় স্থাপিত হয়েছে নতুন সেন্ট্রিফিউজ

আবাসন খাতে সবার পছন্দ বসুন্ধরা


পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) প্রতিবেদন অনুযায়ী, একজন কর্মকর্তাকে একাধিক প্রকল্পের দায়িত্ব দিলে তিনি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। ফলে প্রকল্প বাস্তবায়ন ব্যাহত হয় এবং প্রকল্পের খরচ বাড়ে। নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজও শেষ হয় না।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলছেন, সব মন্ত্রণালয়ের সচিবগণকে অবগত করা হচ্ছে যাতে করে প্রকল্প পরিচালকরা সজাগ থাকেন। দ্রুত কাজ শেষ করার ব্যপারে নির্দেশনা মেনে চলেন।

অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর বলছেন, প্রশাসনিক ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়গুলোর প্রশাসনিক দক্ষতার অভাব রয়েছে। আর এটাই আমাদের প্রশাসনের একটি বড় দুর্বলতা।

কোন প্রকল্পে  ৫০ কোটি টাকার বেশি টাকা বরাদ্দ থাকলে একজন পূর্ণকালীন পিডি নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হুইপ শামসুলের অরাজকতা, এখনো ধরা পড়েনি ব্যাংকার আত্মহত্যায় জড়িতরা

আলী তালুকদার

ক্যাসিনোকাণ্ডে অভিযুক্ত চট্টগ্রাম ১২ আসনের সংসদ সদস্য, হুইপ শামসুল হক চৌধুরীর অবৈধ সম্পদের তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। দুদকের একটি প্রভাবশালী সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। শিগগিরই হুইপ শামসুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হতে পারে। এদিকে, ১২ দিন পার হলেও এখনও গ্রেপ্তার হয়নি চট্টগ্রামের ব্যাংক কর্মকর্তা মোর্শেদ চৌধুরীর আত্মহত্যার প্ররোচনাকারীরা। এ নিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন ব্যাংকারের বিধবা স্ত্রী।

দেশের মানুষের কাছ থেকে এখনো কাসিনোকাণ্ডের স্মৃতি মুছে যায়নি। ক্ষমতার অপব্যবহার করে একদল মানুষ কিভাবে অবৈধ জুয়া, মদ ও নারী খেলায় মত্ত হয়েছিলো তা উঠে এসেছিলো প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় চালানো সেই কাসিনো বিরোধী সেই অভিযানে। সেই অভিযান চলাকালে দুর্নীতি দমন কমিশন কাসিনোর সাথে যুক্ত দুই শতাধিক ব্যক্তির তালিকা তৈরি করে।

সেই তালিকায় অভিযুক্ত হন চট্টগ্রামের সকল অপকর্মের সাথে প্রায়ই যার নাম উঠে আসে সেই হুইপ চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরী। ক্ষুব্ধ শামসুল সেই অভিযানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। জুয়া পরিচালনাকারী ক্লাব চালানোর পক্ষে জোড়ালো অবস্থান নেন।

সে সময় শামসুল হক বলেন, কোন প্রশাসন কি তাদের পাঁচ টাকা বেতন দেয়? তাহলে তারা খেলে কিভাবে। টাকাটা কিভাবে আসে সরকার কি তাদের টাকা দেয়।

তবে নানা তৎপরতা চালানো পরেও দুদক তাকে ছাড়েনি। নিউজ টোয়েন্টিফোরের সাথে আলাপকালে দুদকের একটি সূত্র জানায়, হুইপ শামসুলের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অর্জন ও কাসিনোকাণ্ডে জড়িত থাকার তদন্ত অব্যাহত আছে। খুব শিগগিরিই তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করবে দুদক।

দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বলেন, হুইপ শামসুলের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলমান আছে। কাসিনোকাণ্ডের সময় তার নাম আসায় দুদক তার বিষয়ে সকল অনুসন্ধান চলমান রেখেছে।

দুদক জানায়, চট্টগাম আবহনী ক্লাব থেকে শামসুল হক বিগত বছরগুলোতে শত শত কোটি টাকা আয় করেছেন অবৈধভাবে। বিভিন্ন ক্লাবে জুয়ার আসর বসানোতে অগ্রনী ভূমিকা ছিল তার। এছাড়া অবৈধভাবে বিভিন্ন জনের জায়গা জমি ও মসজিদ দখলের অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন


মান্নার উঠে আসার গল্প নিয়ে ইমরানের কণ্ঠে নতুন গান (ভিডিও)

আলেম-ওলামা নয়, তাণ্ডবের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে: কাদের

করোনা মুক্ত আবুল হায়াত পুরোপুরি সুস্থ্য

সহিংসতায় জড়িত হেফাজতের কাউকেই ছাড়া হবে না: নানক


এদিকে ব্যাংক কর্মকর্তা মোরশেদ চৌধুরীর আত্মহত্যার ঘটনায় ১২ দিন পার হলেও কোন আসামী গ্রেপ্তায় হয়নি। ভিকটিমের স্ত্রী ইশরাত জাহানের অভিযোগ হুইপ শাসসুল হকের সুযোগ্য পুত্র চট্টগ্রামের সকল অপকর্মের সাথে যার নাম হরহামেশায় উঠে আসে সেই শারুন এই ঘটনার পেছনে মূল ইন্ধন দাতা। তার নির্দেশেই আসামি জাবেদ ইকবাল, পারভেজ ইকবাল, নাইমুদ্দিন সাকিব ও শহিদুল হক চৌধুরী রাসেল ব্যাংকার মোরশেদকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেন।

ব্যাংকার মোরশেদের স্ত্রী বলেন. ওরা যদি উধাও হয়ে গিয়ে পরবর্তীতে আমাদের বিরুদ্ধে কোন ক্ষতি করতে পারে। আমাদের নিরাপত্তা তাহলে কে দেখবে।

এদিকে চট্টগ্রামের গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, আসামিদের শিগগিরিই গ্রেপ্তার করা হবে। তবে চট্টগ্রাম নাগরিক সমাজের অভিমত শারুন গং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এখনো আসামিদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে রেখেছে। এদের গ্রেপ্তার করে পুলিশকে নিরপেক্ষতার পরিচয় দিতে হবে বলেও অভিমত তাদের।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

২২ এপ্রিল থেকে ব্যবসা চালু করতে চায় দোকান মালিক সমিতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ২২ এপ্রিল থেকে আবারো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করতে চায় বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। 

আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই দাবি জানান সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন। তিনি জানান, শ্রমিক কর্মচারীদের ২ মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা প্রদানে প্রয়োজন সাড়ে ৯৬ হাজার কোটি টাকা। 

এ অবস্থায় আহবান জানান, ঈদের আগেই ৪৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ প্রণোদনা হিসেবে দেয়ার। এসব দাবি বাস্তবায়নে প্রধানন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন সমিতির নেতারা। বলেন, দাবি বাস্তবায়ন না হলে মালিক ও কর্মচারীরা চরম আর্থিক সঙ্কটে পড়বে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে জীবিকা রক্ষা করতে চায়, দোকান মালিকরা।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মামুনুল হককে গ্রেফতারের পর পুলিশের ব্রিফিং এর ভিডিও দেখুন

অনলাইন ডেস্ক

মামুনুল হককে গ্রেফতারের পর ব্রিফিং করেছে পুলিশ। সেখান থেকে লাইভে যুক্ত ছিলেন মৌ খন্দকার সেই ভিডিও দেখুন-

 

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনা বাধা হয়নি পদ্মাসেতুর কাজে, আগামী মার্চেই উদ্বোধনের আশা

প্লাবন রহমান

দেশব্যাপী করোনার ভয়াবহ বাস্তবতার মধ্যেও ভালভাবে এগুচ্ছে পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ। প্রকল্পের প্রায় ৭০ ভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন। বাকীরা ভ্যাকসিন নেয়ার প্রক্রিয়ায় আছেন। 

করোনা বাধা হবে না বলেই আশা করছেন প্রকল্প পরিচালক। আর সেতু সচিবের আশা-২০২২ সালের মার্চেই উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত হবে পদ্মা সেতু। 

করোনা সঙ্গে বন্যা। দুই ধাক্কা সামলে দেশের অন্যতম সফল মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু। সব জটিলতা কাটিয়ে চলছে শেষ সময়ের কর্মযজ্ঞ- অপেক্ষা শুধু উদ্বোধনের।

আরও পড়ুন:


ইলিয়াস আলী গুম নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মির্জা আব্বাসের

বাংলাদেশকে করোনার ৬০ লাখ ডোজ টিকা দিতে চীনের সিনোফার্ম : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রামে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৫

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আজও ১০১ জনের মৃত্যু


করোনার শুরু থেকে এমন স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চলছে কাজ। করোনা টেস্ট-কোয়ারেন্টিন-আলাদা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার মধ্য দিয়েই এখন দৃশ্যমান স্বপ্নের সেতুর ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। ভ্যাকসিনের আওতায় এসেছেন প্রকল্পের প্রায় ৭০ ভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী।

এরই মধ্যে মূল সেতুতে ৪ কিলোমিটারের বেশি রোড স্ল্যাব বসে গেছে। রোড স্ল্যাবের ওপর বসবে ৪ ইঞ্চি উচ্চতার পিচ। যা আসবে ইংল্যান্ড থেকে।

মূল সেতুর কাজ ৯৩ ভাগ শেষ। তবে নদী শাসনে কিছুটা পিছিয়ে- কাজ শেষ হয়েছে ৮২ ভাগ। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের আশা-২০২২ এর জুনের আগেই শেষ হবে প্রকল্পের কাজ।

২০২১ সালের জুনেই শেষ হওয়ার কথা ছিল পদ্মা সেতু প্রকল্পের মেয়াদ। কিন্তু করোনা-বন্যার কারণে বেড়েছে প্রকল্পের মেয়াদ। এখন নতুন লক্ষ্য ২০২২ সালের জুন। সংশ্লিষ্টদের আশা-তার আগেই যানবাহন চলাচলের উপযোগী হবে স্বপ্নের সেতু।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দুদকের চেয়ারম্যান পরিচয়ে প্রতারণা, অবশেষে পুলিশের জালে নজরুল-আশরাফি দম্পতি

নাঈম আল জিকো

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর চেয়ারম্যান পরিচয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিজ্ঞাপনের নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল এক দম্পতি। চার বছর ধরে প্রতারণার এই কাজ করলেও গোয়েন্দা পুলিশের হাতে এবারই প্রথম ধরা পরে চক্রটি। 

নজরুল ইসলাম ও আশরাফি সিদ্দিকা দম্পতি জানায়, চলতি বছরেই ৮টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিজ্ঞাপনের নামে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে তারা।

এম রজমান আপন। ফারদিন একসেসরিজ লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন তিনি। চলতি মাসে তাদের অফিসের নম্বরে কল করে দুদক বার্তা নামে বার্ষিক ম্যাগাজিনে বিজ্ঞাপন দেয়ার কথা জানায় নজরুল দম্পতি। এরপর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দুই ধাপে হাতিয়ে নেয় ৪০ হাজার টাকা।

নজরুল জানায়, তার নিজেরই একটি অ্যাড ফার্ম ছিল। সেই ফার্মের হয়ে কাজ করতে গিয়ে নাভানাসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানের কাছে অপমানিত হয় সে। তার প্রতিশোধ নিতেই ২০১৭ সালে পত্রিকা থেকে দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গির আলমের নাম ব্যবহার শুরু করেন। দুদকের লোগো ও নাম ব্যবহার করে খোলেন ইমেইল আইডিও। এরপরই শুরু হয় প্রতারণার নতুন অধ্যায়। 

পুলিশ বলছে, ১০ থেকে ৪০ হাজার টাকা বিজ্ঞাপন মারফত চাওয়ায় তা নিয়ে গাঁ করতোনা অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একের পর এক প্রতারণার ফাঁদ পেতে গেছে এই চক্র।


৬ ঘণ্টা আগে আসতে বলে শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট বাতিলের নোটিশ

সহিংসতার দায় কোনোভাবেই হেফাজতের উপর বর্তায় না: মাওলানা মামুনুল হক

নিজ বাসা থেকে অধ্যাপক তারেক শামসুর রেহমানের লাশ উদ্ধার

চট্টগ্রামে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষ, নিহত ৪


এর আগেও প্রতারণা করতে গিয়ে দুবার দুদকের কাছেই ধরা পড়েছে নজরুল। তবে ধরা ছোঁয়ার বাইরে ছিল তার স্ত্রী সিদ্দিকা। এবার ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলায় ধরা পড়ে দুদকের নামে প্রতারণা করে আসা এই দম্পতি।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর