মুক্তি পাচ্ছে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘আগস্ট ১৯৭৫’

ফাতেমা কাউসার

মুক্তি পাচ্ছে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘আগস্ট ১৯৭৫’

অবশেষে সেন্সর বোর্ড থেকে চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেলো জাতির পিতাকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘আগস্ট ১৯৭৫’। সিনেবাজ অ্যাপস এ ১৫ই আগস্ট থেকে বিনামূল্যে দেখা যাবে শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত সিনেমাটি। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত একই প্রযোজনা সংস্থার আরেকটি সিনেমা ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান! বাঙালি, বাংলাদেশের সাথে অবিচ্ছেদ্য এক নাম!

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুকে। বাংলাদেশের ইতিহাসে তাই এ দিনটি ঘটনাবহুল ও বেদনার। তেমনই ঘটনাবহুল বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু থেকে দাফন পর্যন্ত সময়টিও। বড় পর্দায় এ সময়টিকেই তুলে আনা হয়েছে শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত ‘আগস্ট ১৯৭৫’ সিনেমায়।
  
নির্মাণ শেষ হলেও সেন্সর জটিলতায় আটকে ছিলো সিনমাটির মুক্তি। ১৫ই আগস্ট জাতির পিতাকে হারানোর দিন থেকে দর্শকরা উপভোগ করতে পারবে ‘আগস্ট ১৯৭৫’। প্রযোজনা সংস্থা কর্ণধার জানান একেবারেই বিনামূল্যে সিনেবাজ অ্যাপস এ দেখা যাবে এই সিনেমা।

শামীম আহমেদ রনির চিত্রনাট্যে এই চলচ্চিত্রের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, তৌকির আহমেদ, ফজলুর রহমান বাবু, আনিসুর রহমান মিলন, দিলারা জামান, মাসুমা রহমান নাবিলাসহ আরো অনেকে।

আরও পড়ুন


তালেবানের অগ্রাভিযানের মুখে আফগান সেনাপ্রধান বরখাস্ত

আবারও পরীমণিকে নিয়ে মুখ খুললেন তসলিমা নাসরিন

চুরি যাওয়া গরু খুঁজে পেল মালিককে

ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনায় শিশুসহ ১৬ জনের মৃত্যু

এদিকে, বঙ্গবন্ধুর শৈশব, কৈশোর ও তারুণ্যের জীবন নিয়ে নির্মিত ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’ সিনেমা দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম সিনেবাজ অ্যাপসেও বিনামূল্যে দেখা যাচ্ছে ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’।

news24bd.tv রিমু 

 

 

পরবর্তী খবর

এক্সপান্ডেড ডেঙ্গু সিনড্রোমে দ্রুতই লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ডের জটিলতা হচ্ছে

সুকন্যা আমীর:

এক্সপান্ডেড ডেঙ্গু সিনড্রোম বিরল হলেও এখন তা পরিণত হয়েছে সাধারণ ঘটনায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এখন এই সিনড্রোমের উপস্থিতিই বেশি। যার ফলে খুব দ্রুতই লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ডের জটিলতা তৈরি হচ্ছে। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩০৭ জন। 

২০১৮ সালের ন্যাশনাল গাইডলাইনে রোগীদের মধ্যে এক্সপান্ডেড ডেঙ্গু সিনড্রোমকে বলা হতো খুবই বিরল। বর্তমানে যা পরিস্থিতি তাতে বলা যায়, এক্সপান্ডেড ডেঙ্গু সিনড্রোম পরিণত হয়েছে সাধারণ ঘটনায়। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই সিনড্রোমে লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ডের জটিলতা তৈরি হচ্ছে খুব দ্রুত। 

চিকিৎসকেরা বলছেন, ২০১৯ সালের ডেঙ্গুতে পাঁচ দিনের আগে অবস্থা জটিল হতো না। এ বছরে তিন থেকে চার দিনের মধ্যে নেমে যাচ্ছে রক্তচাপ, পেটে-বুকে পানি আসছে, হচ্ছে রক্তক্ষরণ। একই সাথে চট করে শকে চলে যাচ্ছে রোগী। 
কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার-এর মতে, ডেঙ্গু রোগীদের প্রায় বেশিরভাগই আক্রান্ত হচ্ছে এক্সপান্ডেড ডেঙ্গু সিনড্রোমে। গতবার যা ছিল নামমাত্র। 

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কেবল মশার প্রজনন মৌসুমে নয় কীটনাশক ছিটাতে হবে সারা বছর, সেই সাথে নিতে হবে সমন্বিত মশক ব্যবস্থাপনার বিজ্ঞানসম্মত পদক্ষেপ, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। 

আরও পড়ুন:


আইএস বধূ শামীমা বাংলাদেশে নয়, ফিরতে চান ব্রিটেনে

করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় আবারও ১০ হাজারের কাছাকাছি মৃত্যু

রদ্রিগোর গোলে ইন্টার মিলানকে হারাল রিয়াল মাদ্রিদ

চট্টগ্রামের উপকূলে মিলল তিনটি মৃত ডলফিন!


NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

পরীর পাহাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করবে জেলা প্রশাসন

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

পরীর পাহাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করবে জেলা প্রশাসন

চট্টগ্রামের পরীর পাহাড়ে গেড়ে বসেছে আইনজীবীরা। একের পর এক আইনজীবীদের ভবন নির্মাণে দিশেহারা জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক বলছেন, পরীর পাহাড়ে আদালত ভবনসহ সরকারি অফিস ছাড়া সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে যাবে তারা। আইনজীবীদের আরো নতুন দুই বহুতল ভবনের প্রস্তাব নাকচ করেছে জেলা প্রশাসক।

আইনজীবীরা বলছেন ,আইনজীবীদের ভবন উচ্ছেদের কোন সুযোগ নেই। কারণ সিডিএ’র আছে অনুমতি। আর সিডিএ বলছে, পরীর পাহাড়েই আইনজীবীদের পাঁচ বহুতল ভবনের একটির অনুমতি নেই। বাকি চারটির অনুমতি থাকলেও শর্ত মানছে কি না খতিয়ে দেখছে তারা।

চট্টগ্রামে পরীর পাহাড়ের চূড়ায়  জেলা প্রশাসক কার্যালয়, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়সহ কয়েকটি সরকারি ভবনের বাইরে আরো পাঁচটি বহুতল ভবনে ঘিরে আছে এই পাহাড়। আইনজীবীদের ভবন সংকটের কথা বলে আরো নতুন বারতলা বিশিষ্ট দুটি বহুতল ভবন নির্মাণ নিয়ে জেলা প্রশাসন ও বার সমিতি এখন মুখোমুখি অবস্থানে।

জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান বলছেন, পাহাড়ে অবৈধ কোন স্থাপনা থাকলে উচ্ছেদে যাবে তারা। সেটি যে পাহাড়ই হোক আর যে স্থাপনাই থাকুক। অবৈধ হলে তা উচ্ছেদ করা হবে।

আইনজীবী নেতারা বলছেন, আদালতের অনুমতি নিয়েই নির্মাণ হয়েছে আইনজীবী ভবন। আছে সিডিএর অনুমতিও। তাই উচ্ছেদের কোন সুযোগ নেই।

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. এনামুল হক বলছেন, আমাদের এখানে কোর্টের রায়ও আছে। আবারও অনুমোদনও আছে। এখানে আমরা অবৈধভাবে নেই। আর এই সব ভবন আজ থেকে ৪০ বছর আগে থেকে পর্যায়ক্রমে হয়ে আসছে।

আরও পড়ুন


প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছে জিম্মি হচ্ছে রাষ্ট্র

কারওয়ান বাজার ও গুলশান-২ নিয়ে মহাপরিকল্পনা ডিএনসিসির

বান্দরবানে ঝিরিতে ভেসে যাওয়া মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

চাকরির কথা বলে ফাঁকা বাড়িতে ডেকে ৮ জন মিলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ


আর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন বলছেন, উচ্ছেদ অভিযান চালাতে আসছে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।

তবে সিডিএ'র প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি শাহীনুল ইসলাম খান বলছেন, পরীর পাহাড়ে পাঁচ আইনজীবী ভবনের মধ্যে একটি বহুতল ভরনের অনুমতি নেই সিডিএ’র। আবার অনুমতি থাকা আরো চার ভবনের শর্ত মানা হয়েছে কি না খতিয়ে দেখছে তারা।

জেলা প্রশাসক বলছেন ,অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে পরীর পাহাড়কে দখলমুক্ত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীও।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছে জিম্মি হচ্ছে রাষ্ট্র

রিশাদ হাসান

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছে জিম্মি হচ্ছে রাষ্ট্র

তথ্য প্রযুক্তির যুগে আপনার তথ্য কতটা নিরাপদ। ল্যানসেটের গবেষণা বলছে, বিশ্বব্যাপি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ৯০ শতাংশের বেশি মানুষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে তুলে দিয়েছেন তাদের তথ্য। অথচ ব্যবহারকারী নিজেই জানেন না কবে আর কীভাবে দিয়েছেন এত তথ্য।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে করে ব্যক্তিগত স্বার্থ অক্ষুন্ন থাকলেও একটি রাষ্ট্রের সমষ্টিগত তথ্য জিম্মি হয়ে হয়ে পড়ছে গুটি কয়েক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের হাতে।

যখনই নিজের মুঠোফোন কোন অ্যাপ ডাউনলোড করা হচ্ছে, সেই অ্যাপ চেয়ে বসে লোকেশন, ফোনবুক, মাইক্রোফোন। তবে ক্ষেত্র বিশেষে অনুমতি চায় ব্যাক্তিগত মেসেজিং, গ্যালারিসহ বিভিন্ন তথ্য।

এসব তথ্য দিয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যক্তি, বয়স ও পছন্দ ভেদে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন পাঠায়। তথ্যগুলো ছোট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছেও বিক্রি হয় চড়া মূল্যে। সেই সাথে তারা বের করে সমষ্টিগত এমন কিছু তথ্য যা কোন রাষ্ট্রের কাছেও নেই।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা বলছেন, গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপলিকেশনে যতগুলো অ্যাপ থাকে কেউ না কেউ সেই প্রত্যক্ষ বা প্ররোক্ষভাবে সেই ডেটাগুলো কারও না কারও কাছে বিক্রি করে দেয়।

আরও পড়ুন


কারওয়ান বাজার ও গুলশান-২ নিয়ে মহাপরিকল্পনা ডিএনসিসির

বান্দরবানে ঝিরিতে ভেসে যাওয়া মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

চাকরির কথা বলে ফাঁকা বাড়িতে ডেকে ৮ জন মিলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

বান্দরবানে পাহাড়ি ঝিরিতে ভেসে গিয়ে ২ সন্তানসহ মা নিখোঁজ


প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মাহফুজুল ইসলাম জানান, যেই তথ্য সরকারের কাছে নেই সেই তথ্য পাওয়া যাচ্ছে গুগলের কাছে। ফলে দেশ হিসেবে আমরা গুগলের কাছে জিম্মি হয়ে যাচ্ছি। 

একটি দেশ গুটি কয়েক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছে জিম্মি হতে পারে না উল্লেখ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডেটা সেন্টার তৈরির মাধ্যমে দেশের তথ্য ও দেশেই রাখতে হবে।

তানভীর হাসান জোহা আরও বলেন, আমার তথ্য আমি কেন থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেইশনকে দেব, কি কারণে দেব? কেন দেব? তার একটি সুস্পষ্ট ও যৌক্তিক ধারণা থাকতে হবে। আর অধ্যাপক ড. মাহফুজুল ইসলাম জানান, নিজেস্ব ডেটা সেন্টার, সোশ্যাল মিডিয়া এবং নিজেস্ব ক্লাউডসহ যাবতীয় নেটওয়ার্কিং সাইটের দিকে অগ্রসর হতে হবে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

কারওয়ান বাজার ও গুলশান-২ নিয়ে মহাপরিকল্পনা ডিএনসিসির

তালুকদার বিপ্লব

কারওয়ান বাজার ও গুলশান-২ নিয়ে মহাপরিকল্পনা ডিএনসিসির

রাজধানীর কাওরানবাজার ও গুলশান-২ ঘিরে মহাপরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণে বাজারে বন্ড ছেড়ে টাকা তুলবে ডিএনসিসি। এ ব্যাপারে এরই মধ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাথে সব প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে কাজ করা হয়েছে। এই দুই মার্কেটের আধুনিকায়নে ছাড়া হবে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার বন্ড।

রাজধানীর গুলশান ২ নম্বর ডিএনসিসি মার্কেট। প্রায় সোয়া তিন একর জমির ওপর অবস্থিত এই মার্কেট ভেঙ্গে বহুতল বানিজ্যিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে উত্তর সিটি কপোরেশন। এখান ভবন নির্মাণে যে অর্থ ব্যয় হবে তা পুঁজি বাজার থেকে সংগ্রহের সিদ্ধান্তে এ বছরই মিউনিসিপ্যাল বন্ড বাজারে নিয়ে আসছে বলে জানান ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম।

একই সাথে প্রায় ২৪ বিঘা জমির ওপর ডিএনসিসির মালিকানাধীন কারওয়ান বাজারে তিনটি মার্কেট ভেঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ডিএনসিসি।

ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম জানান, কাওরান বাজার প্রকল্পের থ্রিডি প্রসপেক্টাস ডিজাইন তৈরি শেষ পর্যায়ে। ভবন সম্পর্কিত ধারণা তৈরি করা হয়েছে। একই সাথে ৩টি ডিজাইন তৈরি করা হয়েছে। এরপর এটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে।

জানা যায় প্রাকৃতিক পরিবেশ ঠিক রেখে কাওরান বাজারে তৈরি করা হবে আধুনিক বাণিজ্যিক কেন্দ্র। মিডিয়া সেন্টার। থাকবে বিশাল পার্কিং ব্যবস্থা। সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্র। অত্যাধুনিক অপেরা হাউজ। বিদেশি রাষ্ট্রিয় অতিথি ভবনসহ সু-বিশাল কনভেনশন সেন্টার এবং নাগরিক মিলনায়তন কেন্দ্রসহ নানা স্থাপনা।

আতিকুল ইসলাম আরও জানান, আমার এই মেয়াদেই এই শুরু করতে চায়। গুলশানটা শেষের পরেই হবে কারওয়ান বাজারেরটা। ২০২৩ সাল নাগাদ কারওয়ান বাজারের কাজ শুরু করা যাবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন


বান্দরবানে ঝিরিতে ভেসে যাওয়া মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

চাকরির কথা বলে ফাঁকা বাড়িতে ডেকে ৮ জন মিলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

বান্দরবানে পাহাড়ি ঝিরিতে ভেসে গিয়ে ২ সন্তানসহ মা নিখোঁজ

করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় আবারও ১০ হাজারের কাছাকাছি মৃত্যু


উত্তর সিটি মেয়র জানান, প্রাথমিকভাবে গুলশান ২ বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণে দুই হজার কোটি টাকা এবং কারওয়ান বাজার এলাকায় বাণিজ্যিক এবং নাগিরক কেন্দ্র নির্মাণে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা বন্ড বিক্রি থেকে উত্তোলন করা হবে।

এদিকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম জানান, গুলশান দুই এবং কারওরানা বাজার প্রকল্পে বন্ড ইসুর বিষয় ইত্যেমধ্যে বিএসইসি সাথে আলোচনা করেছে ডিএনসিসি। চলছে চূড়ান্ত প্রস্তাব তৈরি কাজ।

বিএসইসি চেয়ারম্যান আরও জানান বন্ড এর উদ্যেগ সফল হলে দেশে বাণিজ্যিক অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়ন সংকটের একটি স্থায়ী সমাধান হবে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ই-কমার্সের নামে হাজার কোটি টাকা লোপাট

বাবু কামরুজ্জামান

ই-কমার্সের নামে হাজার কোটি টাকা লোপাট

বাজারমূল্যের চেয়ে অর্ধেক দামে পণ্য বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে ই-ভ্যালিসহ বেশকিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান লাখ লাখ গ্রাহকের হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এরই মধ্যে ই-ভ্যালির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করার কথা জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বাধীন আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ভোক্তা ঠকানোর অভিযোগে আলোচিত ১০ ই-কমার্স কোম্পানির হিসাব খতিয়ে দেখতে তৃতীয় পক্ষের নিরীক্ষক নিয়োগ দেয়া গেলে উঠে আসবে প্রকৃত চিত্র।

বেশ কয়েক বছর ধরেই  প্রসার হচ্ছে দেশে ই-কমার্স ব্যবসা। তবে মহামারী শুরু হলে নতুন নতুন বেশ কিছু কোম্পানি রাতারাতি ফুলে ফেঁপে উঠে। বাজারমূল্যের চেয়ে অর্ধেক দামে পণ্য বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকের হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান।

অনেকে অর্ধেক দামে পণ্য কিনে পরে বেশি দামে বিক্রির আশায় এসব কোম্পানিতে লাখ লাখ টাকার অর্ডার করেছেন। যাদের অনেকেই আবার নেমেছেন রাজপথে। তবে গ্রাহকদের পণ্য বা টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে বাড়ছে সংশয়।

তবে ই-ভ্যালিসহ ১০টি ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানে আলাদা নিরীক্ষা করতে গেল রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। যেখানে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে নিরীক্ষক নিয়োগ দিয়ে নিরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তালিকায় থাকা বাকি ৯ প্রতিষ্ঠান হলো ধামাকা, ই–অরেঞ্জ, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, কিউকুম, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট, নিড ডটকম ডটবিডি ও আলেশা মার্ট।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিরাজুল ইসলাম জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে আমাদের জানালে আমরা আমাদের মতামত জানিয়েছি। বলেছি, নিরপেক্ষ কোন নিরীক্ষক নিয়োগ দেয়া গেলে উঠে আসবে প্রকৃত চিত্র। এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করে যদি বাংলাদেশ ব্যাংকে ব্যবস্থা নিতে বলে তাহলে আমরা সেই ভাবে কাজ করবো।

আরও পড়ুন


দেশের মানুষের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ২৫ হাজার টাকা

স্কুলের ক্লাস রুম থেকে প্রধান শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

২৩৯ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজই শুরু হয়নি, মেয়াদ শেষ ডিসেম্বরে

১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরাও টিকার আওতায় আসছে: প্রধানমন্ত্রী


আর্থিক অনিয়ম ও ভোক্তা ঠকানোর অভিযোগে অভিযুক্ত এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে প্রতিবাদ হলেও দায় নেয় নি বাণিজ্য মন্ত্রলায়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বাধীন আন্ত:মন্ত্রণালয় কমিটি জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ডাব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক হাফিজুর রহমান জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সরাসরি কিছু না করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেটি করবে এমন কিছুর পরিপেক্ষিতে মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি। আমরা চাই যেন গ্রাহকরা তাদের পাওয়া বুঝে পাক। 

ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা আরও আগে তৈরি করা হলে মানুষের বঞ্চনা কম হতো বলেও মনে করেন ডাব্লিউও সেলের মহাপরিচালক।

প্রায় ১১৬ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ এনে ই-কমার্স কোম্পানি ধামাকার বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি। অন্যদিকে, ই ভ্যালি আশ্বস্ত করলেও টাকা পাচার হয়েছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর